• Home
  • About
  • Contact
    • Category
    • Category
    • Category
  • Shop
  • Advertise

Banggle.Info

facebook google twitter tumblr instagram linkedin
We know what you’re thinking; it’s a fictional character. Why would quotes by a fictional character matter? Well, just because it’s fictional doesn’t mean that the character’s quotes will be any less memorable. Besides, those quotes are written by real people! Wow, that sort of takes the magic out of it doesn’t it?





Regardless, these quotes that we will be looking at today are actually quite powerful. In spite of the fact that they were not spoken by real people, they still have the potential to change your life. Okay, yes, we know, that is a bit sappy. And yes, we also realize that there is nothing saying that a real person could not have said one of these quotes at some point in human history. For example, the Joker’s famous line is “If you’re good at something, never do it for free.” That seems like a quote that somebody at some point legitimately could have said. Or even Dory’s quote from Finding Nemo, “Just keep on swimming!” A human could have said that too!






1. "You can always trust a dishonest man to be dishonest; it's the honest ones you need to look out for." - Jack Sparrow, Pirates of the Caribbean


2."People should not be afraid of their governments. Governments should be afraid of their people." - V, V For Vendetta

3."Of course it is happening inside your head, Harry, but why on earth should that mean that it is not real?” - Dumbledore, Harry Potter

4."Everyone dies. Not everyone really lives." - William Wallace, Braveheart

5.  "If you're good at something, never do it for free." - The Joker

6."Elves seldom give unguarded advice, for advice is a dangerous gift, even from the wise to the wise, and all courses may run ill." -- Gildor, The Fellowship of the Ring
Share
Tweet
Pin
Share
No comments


তোমার হলদে জানলা খুলে রেখো-
পৃথিবীর অনেক আমোদে রোদ মেখে গায়ে
আমি প্রবাসী হয়ে আসবো, মুখোমুখি
তোমার চোখ ভরে দিয়ে যাবো একান্ত পলাতক গল্প।
শোনাব গল্প, পথের চঞ্চল দোতলা বাসগুলোর
যে বাসগুলো থামবে বলেও থামেনি কোন স্টপেজে
যেগুলোতে ঘুরে ফিরে বড্ড দুলনি হয়। বাম্পারে বাম্পারে ঝাঁকি লাগে-
আর আমার শ্বাসকষ্টে জড়িয়ে আসে মুখভর্তি বিষন্ন শব্দ-
এর মাঝে, মাঝে মাঝেই রাতের যৌবনে
ঠিক সাড়ে বারোটায় নিরপেক্ষ চায়ের দোকানে
চার মেইল হেঁটে আসা পায়ের শব্দ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই
এক কাঁপ চা খাওয়া হতো-
এ গল্পও
আমি বলে দেবো,
শুধু আমার জন্য পথ চেয়ে
তোমার হলদে জানলা খুলে রেখো-
আমি প্রবাসী হয়ে
মাইলের পর মাইলে হেঁটে এসে বলে দেবো সব-
তোমার চোখ ভরে দিয়ে যাবো আমার একান্ত পলাতক গল্প।


     style="display:block"

     data-ad-client="ca-pub-2221917604703020"
     data-ad-slot="5898435076"
     data-ad-format="auto">

Share
Tweet
Pin
Share
No comments

হলুদ জীবনের ধারাপাত শেষে ডেকেছ আমায়, বকুল শুভ্র দিনগুলো কি ফের পাওয়া যায় ?


এবার এই শীত গেলে ফিরিয়ে দিও,
মান-অভিমান আর রাগ-অনুরাগ গত বর্ষায় যা দিয়েছি সবটুকু তোমায়।
 হয়তো আমার একটা চিঠি ছিল না পড়া,
তাও রেখেছিলে ফেলে ;
খামটুকু ও হয়ত খোলার সময় হয়ে ওঠে নি কখনো।
 হয়তো বুকশেল্ফে একাকী একটা বই ছিল,
না পড়া- ফিরে আসার সময় জানতে পারিনি পড়েছিলে কী না;
 জেনেছিলে কী গল্প লেখা ছিলো তাতে ।
হয়তো বারান্দায় পড়ে থাকা কোন টবে-
আমার ছুঁয়ে দেয়া কোন চারা গাছ অযতনে কিছুদিন বেড়েছিল আনমনে,
কী ফুল হতো জানিনা তাতো তুমিও জানোনি।
 তার আগেই যে শুকিয়েছে তার ডালপালা।
হয়তো একটা কবিতা জন্মেছিলো একাকী হয়ে থাকা চার দেয়ালে
 কোন একদিন তুমি পড়বে বলে কুয়াশায় মগ্ন রাতে।
ভিজেছে রাতভর বাতাসে উড়ে যাওয়া সেই কবিতাও পড়া হয়নি ।
এত কিছু হয়ত হয়ে, একদিন পাতাঝরা শীত ফিরে গেলে –
 যা-ই গত বর্ষায় পাশাপাশি হেঁটে কুড়িয়েছি দুজনে হাতে হাত রেখে,
গত বর্ষায় যতটা ভিজেছিল আমাদের সর্বস্ব অশ্রুজলে–
 তার সবটুকু হয়ে বর্ষার পরে শরৎ পেরিয়ে কিংবা হেমন্তের খোলা আকাশে –
সেখানেই হয়ত কিছু রেখেছিলে,
 যদি পারো ফিরিয়ে দিও তাও।

শুদ্ধ ভালো বাসার ডাকটিকেট লাগানো খামে মৌনতার দস্তাবেজ ভেবে আমি বুঝে নেবো …. একদিন এখানেই তুমি ছিলে
কোন এক আড্ডায় ;
গানের আসরে কিংবা মিতবাক হয়ে থাকা জোছনায়।



     style="display:block"
     data-ad-client="ca-pub-2221917604703020"
     data-ad-slot="3174276807"
     data-ad-format="auto">

Share
Tweet
Pin
Share
No comments
"নারীর বুকের ভেতর জমে আছে দুঃখের নুড়ি-পাথর। প্রতিদিন তারা বাড়ছে তো বাড়ছেই। তারা নারীর হৃদয়ে নড়ে-চড়ে উঠছে, কষ্ট-বেদনার সুর তুলছে প্রতিনিয়ত। জীবনের পরতে পরতে ছড়িয়ে থাকা সেই দুঃখ-কথাগুলো কুড়িয়ে এনেছেন লেখিকা। সেই সঙ্গে নারীকে বলেছেন 'বুকে যদি বারুদ থাকে, জ্বলো।" 
                                                                                          -আনন্দবাজার পত্রিকা










তসলিমা নাসরিনের ছোট ছোট দুঃখ কথা বইটা পড়ার পর আমারও তাই মনে হয়েছে, হে নারী, বুকে যদি তোমার আগুন থাকে তো জ্বলো আর জ্বালিয়ে দাও চিরাচরিত সব নিয়ম কানুন যা তোমার উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে এতকাল যাবত।


বইটা নিয়ে এবং তার লেখিকাকে নিয়ে কিছু বলার আগে একটা মজার ঘটনা না বলে থাকতে পারছি না, তা হল বইটা কিনতে গিয়ে। চাকরীর সূত্রে আজকাল বইয়ের দোকানে বিশেষ করে বাঙলা বুক স্টলে যাওয়া হয় না। শেষ কবে বুকস্টলে পা রেখেছি তা ইতিহাস। বই-পত্র যা কিছু কেনাকাটা করি সবই অনলাইন।

বইটা প্রথম আমি Amazon.in এ ওর্ডার দিই যার পাব্লিশার্স ছিল আনন্দবাজার। আমি তখন থাকতাম কাশ্মীরে, এখনও এখানেই আছি। ঠিক কুড়ি দিনের মাথায় আমায় জানানো হল বইটা আর পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু বইটা আমার চাই, ওই হুজুগ বলে একটা ব্যাপার আছে না। মেইলের মাধ্যমে বইটার ডিলার কাম পাবলিশার্স আনন্দবাজারের প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করি। অনেক কাঠ-খড় পোড়ানোর পর নুতন বইয়ের দামে বেশ পুরোনো বইটা পেলাম। যাক ক্ষতি নেই তাতে, বইটা তো পেলাম। এই হল মজার ঘটনা এবং অনেক অনেক ধন্যবাদ তাঁকে, যিনি বইটা পেতে সাহায্য করেছেন (তাঁর নামটা বললাম না)।

তসলিমা নাসরিন-এই নামটার সাথে আমার পরিচয় ঘটে কিছু পত্র পত্রিকার মাধ্যমে, তখন সবে স্কুল ছেড়ে কলেজে পা। নিজের জীবনী লিখে তখন তিনি বেশ জনপ্রিয় এবং তার থেকেও বেশি সমালোচিত। তিনি একজন বাংলাদেশি এবং একজন ডাক্তার এবং অবশ্যই নিজের দেশে নিষিদ্ধ। তাঁর সম্বন্ধে এটুকুই আমি জানি।


ছোট ছোট দুঃখ কথা বইটা হাতে নিয়েছিলাম স্রেফ সময় কাটানোর জন্য। সত্যি বলতে কি, তিনটি ঘন্টা বেশ আনন্দেই কেটেছে আমার। রাতের ডিনার সারতাম ঠিক আটটায়, আজ সারলাম সাড়ে ন'টায়। মাথার মাঝে অজস্র চিন্তার জট। কেন যে তিনি এইসব উল্টো-পাল্টা লিখতে গেলেন, আমার পৃথিবীটা তো বেশ সুন্দর গোল ছিল, সেটাকে বন্ধুর বানানোর কি খুবই প্রয়োজন ছিল।


কেন বলতে গেলেন এক ভীরু লাজুক মেয়ের গল্প, যে মেয়ে সাত চড়েও রা কাড়ে নি। পারিবারিক কড়া শাসন এবং শোষনে ছোট্ট একটি গন্ডির মধ্যে বড় হয়ে উঠেছে, যে মেয়ের সাধ আহ্লাদ প্রতিদিনই ছুঁড়ে ফেলা হয়েছে আবর্জনার স্তূপে, যে মেয়েটির ছোট্ট শরীরের দিকে লোমশ লোমশ লোভী হাত এগিয়ে এসেছে বারবার-তার কথা কি খুবই জরুরী ছিল বলার।

যে মেয়েটি কিশোরী বয়সে ছোট ছোট কিছু স্বপ্ন লালন করতে শুরু করেছে, যে মেয়েটি হঠাৎ একদিন প্রেমে পড়েছে, যৌবনের শুরুতে বিয়ের মত একটি কান্ড ঘটিয়ে আর দশটি সাধারন মেয়ের মত জীবন যাপন করতে চেয়েছে-এই গল্প শোনার জন্য মানুষ তৈরী নয়।
যে মেয়েটির সাথে প্রতারনা করেছে তাঁর স্বামী, যে মেয়েটির বিশ্বাসের দালানকোঠা ভেঙ্গে পড়েছে তাসের ঘরের মত, যে মেয়েটি শোকে, সন্তাপে বেদনায়, বিষাদে কুঁকড়ে থেকেছে, চরম লজ্জা আর লাঞ্ছনা যাকে আত্মহত্যা করার মত একটি ভয়ংকর পথে নিয়ে যেতে চেয়েছে, সেই শোকার্ত মেয়েটির গল্প বলা একদমই ঠিক হয় নি আপনার।

এইতো আমাকেই দেখুন না, কই আমি তো কিছুই বলিনি। এই সব গল্পেরা কি শুধু আপনার দেশেই ঘটে, আমার দেশে ঘটেনা? আমার দেশেও ঘটে, কখনও চোখের সামনে, কখনও অগোচরে। কই, আমি তো কিছুই বলি নি।


আমার চশমা পড়া কিশোরী মা'কে কতবার জানালার পাশে দাঁড়িয়ে চশমা পরিষ্কার করতে দেখেছি, সে কি কেবলই চশমা সাফের অজুহাত। চশমা পরিষ্কারের সাথে সাথে তিনি তাঁর স্বপ্ন গুলোকেও মুছে ফেলেছেন, তারপর ফিরে গেছেন পরিচিত রান্নাঘরে। কই, আমি তো কিছুই বলিনি।



তসলিমা নাসরিন’ নামটির পাশে  সাংবাদিকেরা ‘বিতর্কিত লেখিকা’ শব্দটি লিখে খুব আনন্দ পায়। তসলিমা নাসরিনের একটি বইও যে পড়ে নি, তাকে যদি জিজ্ঞেস করেন, তসলিমা নাসরিন’কে সে চিনে কিনা, সে হয়তো বলবে, ‘ওই যে ইসলাম বিদ্বেষী বিতর্কিত লেখিকার কথা বলছেন?’ তসলিমা নাসরিনের লেখা পড়ে আমার কখনো মনে হয় তিনি বিতর্কিত কিছু লিখেছেন। আমার কাছে তাঁর আদর্শ, চিন্তা -চেতনা একেবারেই স্পষ্ট ও সঠিক মনে হয়েছে। অবশ্য যারা নারীর সমানাধিকারে বিশ্বাসী নন, যারা নারীকে কেবল মা-বোন-বধূ রূপেই দেখতে পছন্দ করেন, তাদের কাছে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়গুলো বেশ বিতর্কিতই মনে হবে।


গল্পে প্রেমিক প্রেমিকার প্রেম থাকবে, প্রেমিকাকে হিরো প্রেমিক সব বিপদ থেকে রক্ষা করছে, এধরণের কাহিনীর লেখকরাই সমাজে হাত তালি পাবেন। কিন্তু সমাজের বাস্তব চিত্র যেই লেখকের লেখায় উঠে আসবে, তিনি হবেন নিষিদ্ধ। কারণ আমাদের নিজেদের বাস্তব রূপটা যে এতটাই কলুসিত, সেটা আমরা নিজেরাই মেনে নিতে পারি না।


 ‘নিজেকে এই সমাজের চোখে নষ্ট বলতে আমি ভালোবাসি। কারণ এ-কথা সত্য যে, যদি কোনও নারী নিজের দুঃখ-দুর্দশা মোচন করতে চায়, যদি কোনও নারী কোনও ধর্ম, সমাজ ও রাষ্ট্রের নোংরা নিয়মের বিপক্ষে রুখে দাঁড়ায়, তাঁকে অবদমনের সকল পদ্ধতির প্রতিবাদ করে, যদি কোনও নারী নিজের অধিকার সম্পর্কে সজাগ হয়, তবে তাকে নষ্ট বলে সমাজের ভদ্রলোকেরা। নারীর শুদ্ধ হবার প্রথম শর্ত নষ্ট হওয়া। নষ্ট না হলে এই সমাজের নাগপাশ থেকে কোনও নারীর মুক্তি নেই। সেই নারী সত্যিকার সুস্থ ও শুদ্ধ মানুষ, লোকে যাকে নষ্ট বলে’। ঠিকই তো, প্রতিবাদী কোন নারীকে দমিয়ে দিতে প্রথম যেই শব্দগুলো তার দিকে ছুড়ে দেয়া সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হল ‘নষ্ট মেয়ে’।
                               -নষ্ট মেয়ের নষ্ট গদ্য, তসলিমা নাসরিন

বইটির নামের মধ্যেই রয়েছে এক প্রচণ্ড সাহসিকতা। তসলিমা নাসরিনের আত্মজীবনীর ৭টি খণ্ড পড়লেই বোঝা যায়, লেখক হিসেবে তিনি কতটা সৎ। আত্মজীবনীতে নিজের ভুল ত্রুটি গুলো লিখতে কুণ্ঠাবোধ করেন নি। পরবর্তীতে সেসব ভুলগুলো সাহসের সাথে মোকাবেলা করার কথাও তিনি লিখেছেন। ‘উতল হাওয়া’ বইটিতে রুদ্রের সাথে প্রেমের ঘটনা পড়ে আমরা সবাই বলেছি, ‘আহা কী প্রেম’। রুদ্রের নষ্টামিগুলো পড়ে অনেকে বলেছে,  ছি কী অশ্লীল!’ অথচ কারও চোখে পরে নি, বাসর ঘরে এক বুক স্বপ্ন নিয়ে আসা মেয়েটির স্বপ্ন ভঙ্গের কষ্ট। বইটি আমার কাছে মনে হয়েছে তসলিমা নাসরিনের আত্মজীবনীগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ একটি বই। এই বইয়ে অন্য বইগুলোর মত নারীর জীবনের কান্না-দুঃখ-কষ্টগুলোর চেয়েও বেশি ফুটে উঠেছে বাধা উপড়ে সামনে এগিয়ে চলার সাহসিকতা। 


যেসব কথা বলার নয়, সেসব কথাই তিনি জোর গলায় বলেছেন। যেই শব্দ উচ্চারণ করা মানা ছিল, সেই শব্দই তিনি বারবার উচ্চারণ করেছেন।


বাংলাদেশের প্রগতিশীলদের তসলিমা বিষয়ে এমন নীরবতা আমাকে অবাক ও ক্ষুব্ধ করেছে।
Share
Tweet
Pin
Share
No comments

এইতো সেদিন তুমি ছুঁয়েছো হৃদয় ছুঁয়েছিলে বুকের অতল, তারপর কেটে গেছে হাজার বছর জমেছে কানায় কানায় বিষাদের জল।একটি আশ্চর্য্য এপিটাফের জন্মপূর্বে




বহুদিন আগে ফেলে যাওয়া এপিটাফ জুড়ে
নিস্তেজ মাতম হবে জেনেও
প্রচন্ড ইচ্ছে হয় ক্রমশ ধ্বংস করে ফেলি
নিজের ভেতরকার বোধ এবং অবোধ,
অতঃপর কোন এক চন্দ্রিমা রাতে হাঁটতে থাকব
খুঁজে পেতে অসমান বধ্যভূমি;
অগভীর মৃত্তিকার অবয়বে
ভরাট যৌবন জুড়ে শুকনো ফুলের সমাহার
বন্ধু তোমাকে বড্ড ভালোবেসেছিলাম।

উড়োজাহাজের ভগ্নাংশে 

উড়োজাহাজের ভগ্নাংশে আমি উড়তে দেখি
রঙ্গীন ঘুড়ি, আতশ বাজির শব্দ
শোকাতুর কৃষ্ণকলি; থেমে থেমে দূর পাহাড়ে ধূসর বিকেল ঘনালে
পুড়ে যাওয়া মাংসল হাতের যৌবনে নেচে উঠি,
ছুঁয়ে দিই আলতো মেহগিনি কপাট;
খুলে যাওয়া দরজায় দাঁড়ায় নর্তকি,
উড়ে যাওয়া রঙ্গীন ঘুড়ি
আমি ভগ্নাংশে উড়তে দেখি পড়শির সাদা শাড়ি;
কালো কাজল রেখায় থোকা থোকা বসত বাড়ি।

ঋতুহীনতায় লেখা কবিতা

এখন জর্জরিত ক্ষরা,
প্রবল কই এখনওতো তোমার কোনো রোদ এলোনা
মেঘে মেঘে অবিরাম গলনের সুর,
শরৎ এলেই ভাবি অবিরাম সেই মুখ
হাসছে অনবরত থেমে থেমে, বাঁকানো ঠোঁট
নধর শরীর, অপূর্ব ফসলের ঘ্রাণ;
অথচ হেমন্ত হতে না হতেই ভুলে যাচ্ছি বারবার
হাতের উপর রাখা হাত, কয়েকটি লকলকে আঙুল
কালচে লাল কারুকার্য।

এইভাবে ভেবে ভেবে অনেক রাতের পরে ঘুম
আহা, আমার কতদিনের ঘুম, তার নবান্ন স্বপ্ন
আয়না থেকে যারা কখনও নামেনা
যাদের অবয়ব গড়ে উঠেই মিলিয়ে যায়
প্রবল তুমি কি জানো
তারাও এইসব উল্লাস ছাড়া আর কিছুই জানে না।

অতঃপর অনেক প্রলম্বিত শীত এবং সল্পায়ু কিছু বসন্ত
প্রানের মাঝে ছড়ানো তোমার কিছু সবুজ
কতদিন যে এইখানে আর কোন ঋতু আসে না।



     style="display:block"
     data-ad-client="ca-pub-2221917604703020"
     data-ad-slot="3297108884"
     data-ad-format="auto">



Share
Tweet
Pin
Share
No comments
পূর্ণিমা রাতের কথা বলবো তোমায়, বলবো তোমায় চাঁদ জাগা রাতের কথা, কৃষ্ণপক্ষের রাত খেয়েছে সে চাঁদ ওঠে রোজ ভিন্ন আকাশে।



বিষন্নতা, তুমি আজ আর আমাকে ঘিরে থেকো না। জেনো, আমি একডজন মোমবাতি কিনে এনে নতুন জীবন শুরু করে দেব আগামী সপ্তাহে। স্নিগ্ধ তুমি এখনও কি কাক ডাকা ভোরে ধোঁয়া ওঠা কফির মগে আমার জন্য উষ্ণতা ছড়াও? খুব জানতে ইচ্ছে করে, আমার কবিতারা এখনও কি আলশেমিতে ভরা দুপুরে তোমার মনের জানালায় উঁকি দেয়।
মেলা থেকে ফেরা পথে কোনএকদিন আমি নিশ্চিত দেখেছি বিপরীত মুখি মনহারা এক একলা মানুষ, সপ্তম দিগন্ত পার হয়ে যেন সে চলেছে অষ্টম দিগন্তের দিকে। আমি কতদূরে যাব কিছুই জানি না।
আর কেউ দেখুক বাঁ না দেখুক, আমি ঠিক টের পাই, অভিমান আমার ওষ্ঠে এনে দেয় মৃদু হাঁসি, আমি এমন ভাবে পা ফেলি যেন মাটির বুকেও আঘাত না লাগে। আমার তো কারুকে দুঃখ দেওয়ার কথা নয়।
পুরোনো বাড়ির অন্ধকার ঘরে শূন্যতার মধ্যেও এক বিশাল হাঁ-করা শূন্যতা চেয়ে থাকে,  আকাশ মিলিয়ে যায়, জোয়ারে ভেসে যায় বন্ধুত্ব, আয়ু।এরই মধ্যে এক দমকা হাওয়া এসে সান্ধ্য ভাষায় প্রশ্ন করে, মনে আছে?
তখনই ছটপটিয়ে ওঠে বুক, সমস্ত বিচ্ছেদের দুঃখ মনে পড়ে যায়। এদিক ওদিক তাকাই। আমার দিক মেলে না,কুল মেলে না। খরচ হল এক আধুলি খাতায় লেখা রাজ্যের দেনা। একটা মাত্র জীবন, তার হাজার রকম দুনিয়াদারি।

আজ বহুদুর এসে, কংক্রিট ছাদের নীচে, সামনে খোলা কবিতার খাতা, আমি সেই কিশোরকে দেখি, বসে আছে নদীর ঢালুতে। আমি দেখি নদীটির পাশ ফেরা, বাতাস দ্বিখন্ড করে ডেকে ওঠে চিল। একটু একটু মন খারাপ, কবিতার খাতা মুড়ে উঠে আসি বারান্দায়। আকাশ অচেনা লাগে, মায়াময় গাঢ় চোখে মনে হয় দিগন্তও খুব কাছে এগিয়ে এসেছে। কি সুন্দর আবছায়া নদীটি। চারিদিকে আধো আলো, আধো অন্ধকার। নদীটি বয়ে যায় অবিরল। স্মৃতি বিস্মৃতিময় তার স্রোত। ক্লান্তি আসে না। বকুলের গাছ থেকে পাতা খসে পড়ে, কখনও ফুল, বৃষ্টি আসে, ঝড় বয়ে যায়। আবার দেখা দেয় রোদ। তবু আবছায়া নদীটি বয়ে যায়,বয়ে যায়।

দূর গঙ্গায় বেজে ওঠে জাহাজের ভোঁ। মাথার উপরে উড়োজাহাজের বিষন্ন শব্দ। দুঃশীল রত্নাকর বসে আছেন গাছতলায়। পথিকের অপেক্ষায়। এ পথে আর কোনও পথিক আসে না। সম্ভবত ঈশ্বর তাদের নিরাপদ ঘুরপথ চিনিয়ে দিয়েছেন। তবু অপেক্ষায় বেলা যায়। জীর্ন হয়ে আসে ঘরদুয়ার, বয়স বাড়ে, ক্ষুধা বাড়ে। রত্নাকর বসে থাকে গাছতলায়, পথিকের অপেক্ষায়। বহুকাল কেটে যায়। অভ্যাসবশত রত্নাকর বসে আছে , পাশে রাখা বশংবদ খাড়া। হঠাৎ দূরে শোনা গেল পথিকের গান। রত্নাকর খর্গ তুলে নেয় শুন্যে, দৌড়ে যায়, তারপর ঢলে পড়ে। ভয়ংকর ভারী খর্গ তাঁকে টেনে রাখে। ঝাপসা চোখে রত্নাকর চেয়ে দেখে অদুরে পথিক, তরুন, ঐশ্চর্য্যবান। রত্নাকর কেঁদে ওঠে। পথিক সামনে এসে দাঁড়ায়, কি চাও রত্নাকর?
রত্নাকর হাত জোড় করে বলে, "আমার পরিবার উপোস করে আছে, দয়াময়, দয়া করো। ভগবান তোমার মঙ্গল করবেন।"
মাঝে মাঝে তাঁকে ডাক দিই, 'রত্নাকর, ওহে রত্নাকর।' বুড়ো ভিখিরিটা জানালার কাছে চলে আসে, আমি তাঁকে একটা দুটো পয়সা দিই। জিজ্ঞেস করি, 'কখনও কি ডাকাত ছিলে?' সে মাথা নাড়ে। হাসে। চলে যায়।

দেখি ভাঙ্গা ছেঁড়া অবান্তর সব দৃশ্য ভেসে যায়। কিছুতেই মেলানো যায় না। কখনও দেখি একটা বল গড়িয়ে যাচ্ছে ঘাসের উপর। খেলুড়ির দেখা নেই। তবু বল গড়িয়ে যাচ্ছে। একা, সাদা,রৌদ্রের ভেতর। কখনও দেখি প্রকান্ড ভাঙ্গা একটা মসজিদবাড়ি। আগাছায় ভরা, পরিত্যাক্ত, দেউলিয়া। তবু পড়ন্ত বেলায় তার উঠোনে কে একজন নীরবে নামাজ পড়ছে। দেখি আল্লা বুড়ো দরজি। আল্লার বুকের ভেতর হঠাৎ জেগে উঠেছে ধান ভাঙার তোলপাড় শব্দ। ফসলের মত উঠে আসছে ভালোবাসা। আল্লা বুড়ো দরজি আনমনে চেয়ে আছে। কিছুই মেলানো যায় না। কিছুতেই মেলানো যায় না। তবু চেয়ে দেখি আমার ছেলেবেলার হারানো বল তার কোলের কাছে পরে আছে।
একদিন সুসময়ে তিনি সব ফিরিয়ে দেবেন।।

Share
Tweet
Pin
Share
No comments



তোমার সেই উজ্জ্বল অপরূপ মুখ। দ্যাখো, দ্যাখো , কেমন নীল এই আকাশ, আর তোমার চোখে কাঁপছে কত আকাশ, কত মৃত্যু, কত নতুন জন্ম...কেমন করে বলি? 

আমি যাকে কষ্ট বলেছি, তুমি তাকে কল্পিত বোলোনা। কল্পিত কষ্টের চুড়া কখনোই এতটা আকাশ ছুঁতে পারে না। যতটা দীর্ঘ্য হবে হিমালয়,  ছুঁয়ে ফেলে আমার ভেতরে জমা কষ্ট নিষাদ। 
তবুও বলি, ভালোবাসা পেলে সব লন্ডভন্ড করে চলে যাবো। যে দিকে দুচোখ যায়...যেতে তার খুশি লাগে খুব। ভালোবাসা পেলে কেন আমি পায়েসান্ন খাবো? যা খায় গরীবে, তাই খাবো বহুদিন যত্ন করে। 
আমি ফিরে যাব আমার মায়ের কাছে, সেই ছোট্ট পিঁড়িটার কাছে। অনেক অযত্ন অবহেলায় পড়ে আছে সে। আমি ফিরে যাবো সেই ছোট্ট থালার কাছে। বহুদিন ভাত বাড়া হয় না তাতে। সেই ছোট্ট গেলাস'টাও ফিরে গেছে কাউকে ফিরে না পেয়ে। আমি জানিনা, উঠোনের সেই চাঁপা গাছটা আজোও ফুল ফোটায় কি না, আমার জানা নেই, আমার খুব জানতে ইছে করে সেই রূপকথার ইতিহাস। শুয়োপোকা থেকে রাজহাঁসের শৈশব জানে কতটা সত্যি ছিল রূপকথা। 
চিলেকোঠারা আজোও জানে কৃষ্ণচুড়ার রঙ পালটে যাওয়ার ইতিহাস, চিলেকোঠার কোনায় কোনায় লেখা আছে দখিনা বাতাসের গতিপথ। 

আমার মনে পড়ে যায় অনেক কাজ বাকি থেকে গেল, অনেক কথা না-বলা থেকে গেল। হয়তো আর কখনোই বলা হবে না, তবু  বলতে ইচ্ছে করে, শুনতে ইচ্ছে করে, লিখতে ইচ্ছে করে সেই শুয়োপোকার গল্প, যার প্রজাপতি হতে ভীষন ভয়। আমি ভুলে যাই আমার অবকাশের  কথা, বুঝতে পারি অবকাশ নেই আমার, অভ্যেসে মিশে গেছিস তুই আমার। তারপর একদিন তুমি জানতে পারবে না বলা গল্পেরা খুঁজে নিয়েছে নতুন মোড়, পেছনে পড়ে রইলো পুরনো ঘরের সেই হাঁসি কান্নারা...একা এবং একা...।।


     style="display:block"
     data-ad-client="ca-pub-2221917604703020"
     data-ad-slot="3843650204"
     data-ad-format="auto">

Share
Tweet
Pin
Share
No comments
   
           ১।
তবু আমার ইচ্ছে হয়,
তোমার সাথে এক বিকেলে হঠাৎ করে দেখা হবে।
তখন বোধহয় গরমকাল, আর
তুমি বৃষ্টি ভেবে ভুল করবে।




                ২।
একফালি কবিতায় অস্তিত্ব ভেসে যাক,
প্রকাশ্য গোপন হোক,
গোপন তুই নিষিদ্ধ থাক।




                 ৩।
বৃষ্টি হলেই ভিজব এবার
ভিজব না আর কথায়;
বৃক্ষ হতে গিয়ে দেখি
জড়িয়ে আছি  লতায়।

                   ৪।
এই খানে এসে প্রেম শেষ হল,
রাখালি মেঠোপথ ধরে কষ্টেরা হেঁটে গেল,
তুমিও চলে গেলে দৃষ্টির আড়ালে।
আবেশের খেয়াঘাটে বসে মধ্যবয়স্ক মাঝি,
ভাটিয়ালী সুরের পাল ওড়ানো...
চুপি চুপি বললাম, " তোমার যেখানে সাধ চলে যাও।"
আমি এই বাংলার পারে রয়ে যাব।




                   ৫।
তারা সকলেই কষ্টে আছে,
তারা সকলেই অনটনে আছে,
তারা সকলেই রাতভর
হাত তুলেছে।

                    ৬।
পাতার প্রস্থান দৃশ্যগুলো
 চোখের আড়ালে চলে গেলে
শেষ হয় কালের কম্পন।
বিনিদ্র রাতের মোহনায় সবুজ নোঙর ফেলে
জাগে বসন্ত।
বন এবং মন জুড়ে আলোর বসন্ত
পড়ে থাকে কিশোরী পাখির পালক।

                     ৭।
নষ্ট জীবন
নষ্ট ভাবা
কষ্ট পাওয়া শুধু,
স্পষ্ট করে যায়না বলা
কোথায় সুখের বিধু;
কোথায় আছে সুখের আকাশ
কোথায় সুখের হাওয়া,
হঠাৎ মাঝে দেখা গেলেও
যায়না তাকে ছোঁওয়া।।




                   ৮।
খালি খাম দেখে মনে হয় ত্রিমাত্রিক বাক্স।
এই নাও,
খালি খামে ভরে দিয়েছি সম্ভাবনা,
যা ছিল এবং যা ছিল না সবকিছু।
কাগজে মুড়ে তোমায় দিলাম
স্পেসটাইম।।


     style="display:block"
     data-ad-client="ca-pub-2221917604703020"
     data-ad-slot="3843650204"
     data-ad-format="auto">



Share
Tweet
Pin
Share
No comments
 মেয়ে তোমার ঘোর কাটেনি, এলোমেলো চুল নিয়ে কাঁপছে তোমার ছায়াশরীর, শিহরনে। তুমি এসেছিলে, শুক্লপক্ষের চাঁদ ছিল কার্ণিশের উপর, তারপর যখন তোমার নিঃশ্বাস গাঢ় হতে লাগলো, আমি দেখলাম সব নক্ষত্রগুলো সাদা কাক হয়ে উড়ে যাচ্ছে একে একে। আর তোমার  নাভীতে জমা দুঃখগুলো তখন সুখ নিয়ে মিশে যায় সুদুর অন্তঃরীক্ষে। এদিকে আমার শয্যাপাশে এখনও ভোর হয় নি। কিন্তু মেয়ে, তোমার চোখে জমে আছে একরাশ নিঃশব্দ ধূসর ঘোর।
আমি তারাদের রোদন, ঠিক যেন অবিরাম নষ্ঠ হতে থাকা রাতগুলোর কুন্ডলী। একটি অখন্ড আকাশ আমার শৈশব লিখে রেখেছিল তার বায়বীয় আগুনের বুকে। এখনও আমি চলতে ফিরতে দেখি আমার শৈশব জন্ম নিচ্ছে আলোর কোটরে; বেড়ে উঠেছে বৃষ্টির আবরনে। আগুনে পুড়ে আয়নাতে ভেসে উঠেছে একজন ঘুমিয়ে পড়া যাদুকর, এই অবয়ব আমি কখনও ভুলিনি।

তোমার ভেতর শুকনো নদীর পাড় ঘেঁসে বেড়ে উঠেছে সবুজ ক্ষত, ট্রাক এসে বোঝাই করে নিয়ে যায় উপচে পড়া নিল, ঘামে ভেজা গামছার তলে মুখ মোছা ঘ্রাণের শক্তিই তোমাকে জাগিয়ে রাখে। ভোরের সরল আলো এখনও চোখের তারায়। বিশুদ্ধ বাতাস চুলের মেঘ থেকে ঝরিয়ে নেয় বৃষ্টি। মৃত্তিকার অবয়বে ফুটিয়ে তোলে আলতা ছাপ, যে রঙের মাঝে তোমার হাত বাড়ানো পাপড়ি থেকে ঝরে পড়ে খেয়াঘাট।
মেয়ে, তুমি বৃষ্টি হয়ে ঝরো, খোলা আকাশ আর এলোমেলো হাওয়া, অদ্ভুত কিছু ভালোলাগা আর কিছু টুকরো মেঘ নিয়ে এসো। আমার আকাশ আজ ভিন্নভাবে শ্বাস ফেলতে চাইছে। রোজ দু'টোর সময় আমি একটা দুচাকার দুপুরকে হারিয়ে ফেলতে দেখি তার মনখারাপের হাতল। আমি চমকে উঠি, ছুটে গিয়ে জাপটে ধরি তার নির্জনতার হাতল। আমার সেলফোন দুপুরে ঠিক সাইকেলের বেলের মতই বেজে ওঠে।  ঝকঝকে আকাশ থেকে অলক্ষ্যে ঝরে পড়তে থাকে অন্ধকারের অদৃশ্য কনাগুলো রোদের ফাঁক দিয়ে। রোজ দু'টোর সময় এক সন্ধ্যে আমার বিছানায় ঘুমোতে আসে। আমার কবিতাগুলো ছন্দহীন হয়ে পড়ে তারপর।

তারপর আমি ফিরে যাই তোর আকাশে, আমি দেখি আমার হারিয়ে যাওয়া ঘুড়ি সুতো কেটে উড়ে বেড়ায়। আমি ফেরাতে পারিনা, আমার মন খারাপ করে। ফাঁকা ঘরে জানালার ওপারে দূর নীলাকাশ থেকে ফিসফিসিয়ে ভেসে আসে প্রিয়তম হাওয়া। কান্নায় আমার গলা ভিজে যায়, আমি ফুঁপিয়ে উঠি। আমার চোখের সামনে ভেসে ওঠে এক নির্জন তালগাছ। তালগাছটার শিখরে দুলছে মৌসুমী সমুদ্রের হাওয়া। আমি দেখি এক পিঙ্গল অশ্বারোহী, দিগন্তের ওপারে ওই দেখো থেমে আছে সময়, ডানা মেলে উড়ে বেড়াচ্ছে তেপান্তরের মাঠ, মাঝখানে থমকে আছে আমাদের প্রিয়তম মুহুর্তেরা। যবনিকা সরে যায়, দেখি দূর অন্ধকার স্রোতের ওপারে এক আমোঘ সত্য। ফিরে যাই দিগন্তের কিনারে, দেখি শিশির ভেজা মাঠে শুয়ে আছে কিছু সুখী মাথা।
অন্ধকার নেমে এলে আমি বেঁচে থাকি এক অন্য পৃথিবীতে, চিরকাল আকাশ বলেছি যাকে, চোখ তুলে দেখে নিই, আজ সে হয়ে আছে মহাকাশ।

এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে সচেতন কবিতারা, বন্ধ আছে অন্ধ অভিষেক; কিশোর এসে প্রতিদিন হত্যে দিয়ে পড়ে থাকে। তবুতো জ্যোৎস্নারাতে ঘরে ফিরতে হয় বুকে চেপে রেখে কিছু বেওয়ারিশ ভয়। এই অলীক পৃথিবীতে আমিও একজন অতিথি, আমিও একজন পথিক মাত্র। সকলের মাঝে আমি চিরদিন থাকবনা। ধূমল কুয়াশা কেটে গেছে। স্বর্ণময় শিশির কনাও নীরস। নদীর ঢেউয়ের সাথে দুপুর গড়িয়ে গেল নিঃশব্দে বহুদুর। শ্রাবনের ঝরো ঝরো বর্ষন বয়ে গেল, তবু মনে মরুভূমি।
পিছনে পড়ে ছিল কাতর নদী, কারো কংকালে লেখা থাকে মৃত নদীর নাম। যে যায় সে ফেরে না, তবু কোন কোন রাতে তৃষিত নদীরা ঘুম চোখে জল চায়। ভুল করে আমিও নদীর মত তৃষিত হই, হাত রাখি অর্পিত চাঁদে। ফোঁটা ফোঁটা জ্যোৎস্নারা কাঁদে নিরুপায়, তবুও কেউ মিষ্টি করে বলে না আকাশের ছাদে বসে থাকা পাখির পালকের নাম কবিতা।

তুমি তৈরী থেকো, এবার আমি এসে যাবো। যে কোন দিন, যে কোন জুঁই ঝরবার আগে। বুঝলে নীলা, পথে যদি সন্ধ্যা লাগে পাঁজর খুলে আগুন দেব অন্ধকারে। শান ধরানো তীক্ষ্ণ ফলার লাঙ্গল টেনে সবুজ মাটি চষে বীজ ছড়াবো আবার। সত্যি রক্তে এবার তোমার নীল মেশাবো। ইদেন বনের নিষিদ্ধ ফল ছিঁড়ে খাবো। র‍্যাবের চাকায় পিষ্ট হয়ে যে কোন খুন ঝরার আগেই মাটির কাছে, তোমার কাছে যে কোন দিন এসে যাবো।



     style="display:block"
     data-ad-client="ca-pub-2221917604703020"
     data-ad-slot="3843650204"
     data-ad-format="auto">

Share
Tweet
Pin
Share
No comments
যে শহরে ভালোবাসা হলুদ গল্প হয়, গোধূলিতে মিশে থাকে অন্ধকার, সামাজিকতা-আমাকে চোখের নিচে নিচে রেখো, ভরদুপুরে চুপি চুপি আমি ফিরে যাই আমার কাছে। শরৎকালের পুরোনো এয়ারপোর্টে আমি যখন রাস্তাগুলোকে নিজের মতই নামকরন করি, তখন মেঘ ভাসে কিছু শহরের গায়ে।
তোমার সাথে দেখা আমার হতেই পারে, তোমার সুপুরুষ সাথীকে কুর্ণিশ, আজ তুমি ভালো আছো, ওকে বোলো আমার কথা...বোলো একদিন বসা যাবে। কোনো একদিন তরল আগুন হাতে বলা যাবে সব ইতিহাস। ওকে বোলো আমার কথা, কখনও কবিতায়, কখনও মিশ্ররাগে, কখনও খাপখোলা শরীরে, যে কোন অজুহাতে নাহয় রূপাকেই বলে দিও সব।
আমি এখন তোমার কথা অন্যভাবে বলি; দূর থেকে দেখলেই কবিতায় ছুঁয়ে দিই ঠোঁট কান চোখ। আজকাল আমার বড্ড ঘুম পায় যখন তখন, আর পেছন থেকে একটা শব্দ শুনতে পাই এলোমেলো বৃষ্টি হলে। জবরদখল হয়ে যাওয়া মাথায় তখন শেষ বিকেলের প্রশ্ন লেগে থাকে, যেভাবে নিলচে জিন্সের মত  fade হয়ে আসে দিগন্তের নগরায়ন। জামার আস্তিনে লুকিয়ে রাখা গল্পের প্লট নড়ে চড়ে ওঠে নিজের ত্যাগিদে কিছু বলার অপেক্ষায় আর মাঝে মাঝে কিছু ফাঁকা পাতা ছেড়ে রাখে।
তবুতো কিছু বলা হল, পোয়াতী বিকেল সাক্ষী থাকলো তার। এরপর আর কিছুই বলার থাকেনা, শুধু ফিরে ফিরে দেখা ছাড়া। মাঝখানে অনেকটা সময় বাকি থেকে যায়।




হিসেব মেলেনি আজও ঘড়িয়াল দিনটির। বিভাজিকা রেখা যার ছায়াপথে আঁকে সিলুলয়েট, সেও ফিরে পাক বাঁচার আশ্বাস। মেট্রোর সেই খাঁ খাঁ সুড়ঙ্গ গুলোর কথা তো আমরা ভুলেই গিয়েছিলাম। একপশলা রোদ্দুর এসে ছিনিয়ে নেয় সকাল। আজও আমাদের ঘুম ঘুম চোখে সকাল দেখা হলনা। প্রতিদিন ভাবি কাঁচাবাজার থেকে সকাল কিনে আনব। কিন্তু হায়, প্রতিদিন সকালগুলো দূরে আরো দূরে চলে যায় তাদের বাড়িতে, যারা প্রতিদিন সকাল মাথায় করে পসরা সাজায়।

 এইখানে অরণ্য, এইখানে হাত ডুবে যায় নীলের মধ্যে। আমাদের গল্পেরা ফিকে হয়ে আসে ক্রমশ। কুয়াশার ভেতর শিশিরের শব্দেরা হারিয়ে যায়। দিক ভুল করে ফিরে যায় সুন্দর। একে একে নিভে যায় তোমার সরাইখানার আলো। আমি ভুলে যাই ফিরতি পথ।
এখন সময় ভাঙ্গার। বাড়তি কি-শুকনো সাদা দাঁড়ি। তবু নিজেকে ভয় করে। এখনও নিজেকে ভয় করে, কাটিয়ে উঠতে চাই, গ্যারান্টি চাই-যা হয়েছে আর হবে না।

Share
Tweet
Pin
Share
No comments
Newer Posts
Older Posts

About me


About Amalie

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Praesent non leo vestibulum, condimentum elit non, venenatis eros.

Follow Us

Labels

Amazing Facts Books Humanity the guardian Travel আমার একলা থাকার সঙ্গী কথাকাব্য কবিতারা নন্দিনীকে বর্ষার কবিতাগুচ্ছ নন্দিনীকে শীতের কবিতাগুচ্ছ নস্টালজিক মন নীলপরীর গল্পেরা প্রিয় মুভি এবং রিভিউ

recent posts

FOLLOW ME @forbestime

Blog Archive

  • ▼  2017 (150)
    • ▼  December (35)
      • এ্যালিস! এ্যালিস! তুমি বিম্বিত হয়ো জোছোনাতে
      • India's Lesser Known UNESCO World Heritage Sites
      • ঘুমোতে যাওয়ার আগে
      • একটি প্রেমের গল্প
      • The Unlikely Beauty of Broken Glass
      • বৃষ্টিতে ভিজব বলে ভিজে গেল দুই চোখ
      • Celebrating the Bond Between Monkeys and Their Humans
      • 7 Alien 'Earths' May Be Swapping Life via Meteorites
      • 10 Trips to Gift Your Favorite Traveler
      • Geminid Meteor Shower Peaks Tonight—How to See It
      • 30 Facts About 2017’s Most Googled Movies
      • Meet Hangul, the Most Handsome Stag in Jammu and K...
      • Thousands of Refugee Children Are Stranded on Euro...
      • বিষাদ,– তোমাকে আমি লিওনার্দো কোহেনের গানে চিনি
      • রোজকার রোজগার
      • Dhanushkodi: Why A Road Trip To this ‘Ghost Town’ ...
      • 25 World Monuments in Danger
      • This Woman is Your Adventurer of the Year—Video Ex...
      • The Ultimate Nilgiris Road Trip: From Coimbatore t...
      • Kashmir’s Enchanted Valley
      • কার প্রতীক্ষায় আছো
      • তুমি নেই বলে
      • The Best Pictures Of 2017 Siena International Phot...
      • Amazing Autumn In The Polish Sudetes
      • Toddler Keeps Stealing Prince Harry’s Popcorn Unti...
      • রাতের কবিতা
      • 20+ Of The Best Entries From The 2016 National Geo...
      • 10+ Of The World’s Greatest Dads
      • 15 Interesting Facts about Dreams
      • 10 Most Amazing Revenge Stories From Around The World
      • 10 fascinating facts about different countries tha...
      • 10 Strange Mysteries From Around The World That Ar...
      • The 10 Of The Greatest (True) Stories Ever Written...
      • The Top 10 Greatest Love Stories Of All Time (Prep...
      • International Borders Around The World
    • ►  November (27)
    • ►  October (19)
    • ►  September (4)
    • ►  August (15)
    • ►  July (11)
    • ►  June (8)
    • ►  May (31)
  • ►  2016 (25)
    • ►  December (2)
    • ►  March (23)

Created with by BeautyTemplates