• Home
  • About
  • Contact
    • Category
    • Category
    • Category
  • Shop
  • Advertise

Banggle.Info

facebook google twitter tumblr instagram linkedin
এভাবেই ফেলা বিনের জগত ধূসর আঁধারে যখন নিলাম হয়। তখন চারিদিকে নিভে যায় ল্যাম্পপোস্টের হলুদ বাতি গুলো। কেউ নেয় না কারো খোঁজ আজ কে কোথায় হারালো। রঙিন জীবন সাদাটে হয়; নিকষকালো শহরে তখন এই শহর প্রাণের শহর শুধু নিজ জীবনের দ্বারে।  সারাজীবন, পথ হাঁটতে হাঁটতে তো অমনি অনেক পথের মুখে দাঁড়িয়েছি তীরসন্ধ্যায়- যেখানে দু'পথ গেছে দুইদিকে। কোন পথে যাব? কোন পথপ্রান্তে আছে আমার অমলধবল দুধসাদা বিছানা নিয়ে একখানা বাড়ি? পথের ক্লান্তি শেষে একটুখানি ঘুমাবো। শেষ পর্যন্ত একটি পথকে বেছে নিতে হয়েছে। কিন্তু মন তো গেছে সেই পথেও, যে পথ হয়নি বেছে নেয়া। না, জীবনের কিছু বেছে নেয়া পথই আমাকে শেষ পর্যন্ত নিশ্চিত গন্তব্যে পেঁৗছে দেয়নি। কেননা, প্রতিটি সময়ই ভেবেছি, ওই ফেলে আসা পথটিও হয়তো আমাকে অন্যতর একটি গন্তব্যে নিয়ে যেত। তাই সর্বদা ভাবি এই মনে, তুই ফেলে এসেছিস কারে, মন, মনরে আমার।
ফেলে তো অনেককেই এসেছে। পথে পথে। কাবেরিকে, আদৃতাকে, লাকীকে। কাউকে হারিয়ে ফেলেছি পথে। হারিয়ে গেছে। যেন রে রে করে রক্তজবা চোখের কারা তাকে কেড়ে নিয়ে গেছে জোড়া দিঘির ঘাটে। এমনও তো ঘটেছে এ জীবনে। কিন্তু তারা সত্যই হারায়ে গেছে? না। তারা, সে সব না নেয়া, না পাওয়া, হারায়ে যাওয়া পথ আর মানুষ সকলই আছে, বেশি, করে আছে এই মনে। আমি তো তাদের বহন করে চলেছি জীবন্ত অথবা কবরসমেত।

আমার স্কুলবেলার সে দিনগুলো তো অখনেও স্পষ্ট মনে আছে। দুইবেণী দুলিয়ে, গোলাপিজামা পরে দুইবোন আসতো পাশের মির্তিঙ্গা চাবাগান হতে। কী নাম ছিল তাদের? জানা হয় নাই। তারা বসত একই সাথে। আমি মুগ্ধ বালক চেয়ে দেখি তাদের মুখপানে, পাঠের পড়া ভুলে। কাকে যে ভালো লাগে। তারপর তারা একদিন হঠাৎ হাওয়া হয়ে গেল।
সম্ভবত অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই কবি রোগে আক্রান্ত হই। আমার ধ্যানজ্ঞান হয়ে উঠতে থাকে কবিতা। আমার পড়ার বিষয় হয়ে উঠতে থাকে কলা বিষয়ক বিষয়গুলি। কিন্তু নবম শ্রেণিতে উঠার পরই শিক্ষকরা বললেন, যাদের রোল দশের মধ্যে তাদের সবাইকে বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে হবে। ফলত আমার মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াল গণিত, উচ্চতর গণিত। তার এলজেব্রাগুলো জেব্রার মত আমার চোখের সামনে ঘোরাফেরা করত তখন কেবলই মনে হত আহা, আমার বন্ধুরা না জানি কত আনন্দ নিয়া সাবলকি গল্পগুলান পড়তেছে! আর আমাকে শিখতে হচ্ছে গণিতের তো বটেই রসায়নের রসহীন সূত্র সমীকরণ। এই রসহীন রসায়ন, গণিত, পদার্থ নিয়া এসএসসি বৈতরণী ভালোভাবেই পাস করার পর শুরু হলো নতুন দ্বিধার ধাঁধা।

অনেক কিছুই ভুলে গেছি, হারিয়েছি তার থেকেও বেশি; হারিয়েছি ছেলেবেলার বৃষ্টি, হারিয়ে গেছে তেপান্তরের মাঠ, আজও বৃষ্টিরা একা একা পায়ে হেটে বাড়ি ফেরে; গতকাল নদী’টাও ফিরে গেছে তার কিশোরী বেলায়; আমি এখনও বসে আছি তোর ফেলে যাওয়া পথে।
ছোঁয়াছুঁয়ি-কানামাছি, কুমির ডাঙ্গা বিকেল। কত দিন হয়ে গেল, খেলি না। দূর থেকে ডাক আসে ঝিরঝির জলনদী মেঘেদের, আয় তুই, আজ ভিজে যাই দুজনেই। বৃষ্টিরা বড়বেশি আপন আমার। আর কারো সাথে তার ভাগ নেই। এইটুকু, এই সব ফোঁটা ফোঁটা জল-আদর শুধু থাক তোর আর আমারই। এই স্নিগ্ধ সকাল থেকে গাঢ় নীল সন্ধ্যেতে আলো মেখে, ভালো থাক।

প্রায়ই ভাবি কেউ চলে গেলে হয়ত কিছু একটা বদল হয়, আপন ইচ্ছায় জলাঞ্জলি দেয় ভিতরের সব না বলা কথা । সাজানো কুড়েঘরের সেই বধুয়া বারান্দায় এক চিলতে উল্লাসী টেউ নিরন্তর বয়ে চলে আঁচল ঢাকা মুখখানির হাটুজল স্মৃতি নিয়ে । কেউ চলে গেলে হয়ত কিছু একটা বদল হয়, আগের মত করে হাতছানি দিয়ে ডাকেনা আর আমাদের সেই পুরানো সুন্দরী সুখগুলো ।

তারপর একটা কেউটের মতো রাত্রি আসে।আমি অনেক পুরনো মুখ খুঁজি আজকাল, অথবা একটি নতুন মুখে প্রাচীন সুখ।বাসায় ফেরে আমার মধ্যে জেগে থাকা ‘মা’।মৃত্যুর কথা ভাবি,জীবনের কথা ভাবি,তারপর ভাবি এসব শ্যাওলা মাখা শরীর নিয়ে কতদিন পাল্লা দেবো? ভাবি কতদিন সিঁড়ির ঘরে লুকিয়ে রাখবো ভালোবাসার বোধগুলোকে,বলবো বৃষ্টি,চল একবার সস্তা পালিয়ে যাই।জামাকাপড় বিশেষ লাগবে না খালি কতগুলো বই যদি সঙ্গে নিতিস…। ভালবেসে কি পাবো?অভিযোগ?শরীর?আমি তো সেসব চাই নি কোনদিনও।একটা ছাদ-মানুষ,তারা,বোধ,চোখের জলে ভিজিয়ে দেওয়া ক্ষত,বোবা আদর।কাল রাতে জীবনানন্দ এসেছিলেন,বলছিলাম-আমি একটা কাগুজে বাঘ সেজে হেঁটে চলেছি শব্দের উপর দিয়ে মহাকালের পথে, বলছিলাম-আমার ঘুমের মধ্যে মরে যেতে ভয় লাগে,একা।
Share
Tweet
Pin
Share
No comments
জানি সব শেষ হয়ে গেছে অথবা হয়নি শুরু কিছু, জীবনের নিরর্থকতা প্রেমহীন থেকে অর্থবহ হয় শুধু; তবু তহবিলে গচ্ছিত রাখি সব স্মৃতি, বিদগ্ধ জোনাক --কালো রাত শেষ, আবার শুরু হবে নতুন প্রেমের সকাল ।
মনের ভাব প্রকাশে আমি বরাবরই অক্ষম,তা তুমি ভালো করেই জানো। অথচ সে দিন কাশবনে লাল ফ্রকের এক বালিকার উচ্ছাসিত হাসির যে পবিত্রতা দেখেছিলাম তা তোমাকে বোঝাতেই পারি নি।
তুমি হেসেছিলে খুব। আসলে ওই হাসির পবিত্রতাটাই সত্য, তোমার আমার ক্যাফেতে বসে থাকায় তা নেই। হয়তো,হয়তো তোমার চোখের কৃত্রিম কাজল রেখাতেও নেই, নেই আমার শব্দের উপস্থাপনায়
জড়িয়ে রাখার চেষ্টাতেও।
আমার স্মৃতিময় শহর; আমার স্বপ্নালু চোখে এঁকে দিয়ে গেছে কত শত স্বপ্নের আঁকিবুঁকি।
কত কত পাওয়া, না পাওয়ার উপকাহিনী। বহুকাল ধরে ঐ চিলেকোঠার ধুলোজমা দেরাজে পড়ে আছে ছেঁড়া ঘুড়ি, নাটাইয়ের জীর্ণ সুতো। সেখানে এখনো স্বেচ্ছায় বন্দী আমার কৈশোর।



তাকে তবে সেখানেই থাকতে দাও। শাদা-শরত আকাশের নিচে, ছাদের রেলিং ধরে হাঁটতে হাঁটতে
বেড়ে উঠেছে আমার চিন্তারা। হয়তো সেখানে এখনো হাঁটছে তারা, কোন এক চৈতালি ভরা জোছনায়।
নিঃসঙ্গ রাখালের বাঁশির মতো গুমরে গুমরে কাঁদছে আমার ফেলে আসা ভালোবাসা, বাতাসে উড়তে থাকা তার চুল, গোলাপি ওড়না। উদাসী বিকেল আর হিরণ্ময় দুপুরের মায়ায় বাকিটা জীবন সেখানেই থাকুক তারা। বিশ্বদা’র দোকানে এখনো লুকিয়ে আছে আমার স্কুল ফাঁকির ঘণ্টাগুলো, সিগারেটের ফিল্টারে প্রথম টান, লাল চোখ আর দমকা কাশি। অপরাধী’র মতন মুখ করে সেখানেই লুকিয়ে থাকতে চায় তারা। তবে তারা সেখানেই থাকুক, তারপর নিমেষেই ভুলে যাক আর সব। সিক্ত নীলাম্বরীর মতো ভিজে সারা হোক অঝোর শ্রাবণে।

জানিনা কতটুকু সময় পার হলে অপেক্ষা খুব ভারী মনে হয়। দুচোখের পাতায় নেমে আসে ভোরের শিশির। ভালোলাগা,ভালোবাসা শব্দগুলোর কাছাকাছি যতগুলো আপন শব্দাবলী তোমাকে দেবার কথা ছিলো , সবগুলো জমিয়ে রাখি। কে জানে যদি আর না আসো যদি জীবনের একটু দেখা হওয়া আলো হয়ে জুড়ে থাকে মনের আকাশ। যদি তুমি আমার আকাশ সীমায় মেঘ হয়ে আসো খুব, বৃষ্টি হয়ে ঝরো একদিন। আমি না হয় সেই বৃষ্টিতে ভিজে হবো স্নিগ্ধ সকাল।
বৈশাখের দিন গুলোতে যখন শুনশান দুপুরগুলো দীর্ঘ হতে থাকে কেবলি ধূসর হতে থাকি। তোমার বাড়ীর ছাদ থেকে আমার আঙিনা । এক্কা দোক্কা খেলা। বাতাবী লেবুর গাছটার ছায়ায়। দুপুরের আকাশ দেখার ফাঁকে কখনো? চোখ কি আমাতে ছিলো? কে জানে বাতাবী লেবুর গন্ধ মেখে কখনো কি আমি ও তোমার দিকে?
এই বৈশাখে তোমাকে যদি কাছে পাই। খুব কাছে পাই একদিন, মনে ভাবি। এখনো সেই গন্ধময়্তা জুড়ে থাকে। শুধু অস্পষ্ট তোমার চোখ, দেখা হলো না কোনদিন। এভাবে পিছন ফিরে থাকো যদি
আকাশের দীর্ঘ মেঘের পথ হয়ে।
কখনো পাওয়া হবেনা সেই তারাকে যার খুব কাছে বসবাস ছিলো একদিন।  বৈশাখ এলে এইকথাটা ভাবনার ঘুঘু হয়ে ডাকতে থাকে সকাল দুপুর রাত।




কান্না পাচ্ছে? কাঁদো, মন ভরে কাঁদো, কালো মেঘের চেয়ে বৃষ্টি ভালো। জৈষ্ঠের খাঁ খাঁ মাঠে বৃষ্টি র বড় দরকার। কাঁদো, সময় এখন ডুকরে ওঠা কান্নার। জানি বিচিত্র ফসল ফলে তোমার  নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে। সাধনার জমিজমা তোমার, বহু প্রানের জীবিকা। তোমার সচ্ছলতার পলপুঞ্জে পড়ে বাজারির চোখ, দামাদামি করে শুধু তারা, মায়া বোঝেনা। তবুও তোমার পুঁজির লোভ, নাও দরদামে হেরে যাও অভিঞ্জ বাজারির কাছে। এইসব দরদাম, হারজিত ভুলে যাওয়া সহজ, তবু মৌসুমী শেষে জৈষ্ঠের শূন্য মাঠ দেখে  যদি ভর করে পুরোনো দিনের কোনো আবেগ, যদি পুরো আকাশ কালো হয় মেঘে মেঘে
জানি, ভীষন  কান্না পাবে তোমার,
তুমি কাঁদবে।
Share
Tweet
Pin
Share
No comments
তোর শর্করা বেড়ে গেছে শুনেছি সেই কবে… জেনেছি আজ মুঠোফোনে। আমি মুক্ত ডানায় ভর করে পেছনে তাকাই, আমাদের স্বর্নালী দিনগুলি বিমর্ষ মনে হেঁটে হেঁটে আসে।মূল গল্পটা আসলে সাদামাটা ছিল না কখনই। জটিল যতো রহস্য নিয়ে এখনও বয়েই চলছে। ঘনঘন চেক-ইন, সুখী-সুখী স্ট্যাটাসের, আঁকাবাঁকা সেলফিতে কত কিছু লুকিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে,লোক দেখানো হাসি হাসছে। তাই বলে এমন না, তারা সুখে আছে। এখনও রোজ সকালে রাশ রাশ বিষণ্ণতা বুকে নিয়ে ঘুম ভাঙ্গে। তারা দল বেঁধে সব ভালো থাকার নামে, "ভালো থাকার" অভিনয় করে।
এপাশ ওপাশ জুড়ে ভেঙে চুরে ফেলা গল্পের ধ্বংসাবশেষ, নেপথ্যে কবিতার শেষ দুটো লাইন।
জানালা,রাজপথ, চায়ের কাপ ,আর, আকাশ ছাড়া এনগরে সব অসামাজিক। বড্ড অসামাজিক।

যেদিন আর কথা থাকবেনা বলার, সেদিন দেখা হবে পথের মোড়ে। একটা একটা বাতি জ্বলে উঠবে ল্যাম্পপোষ্টে, আর আঁৎকে উঠে হাতড়াবো কথার হাতবাক্স, বড্ড বিব্রত হয়ে হয়তোবা বলেই ফেলবো,
"চিরকুট সব নিজের ডানা এঁকে পালিয়েছে, কিছু বলো," দোহাই সেদিন ও ফের হেসোনা, বড্ড বিব্রত হবো, থমকে চুপ হয়ে যাবো, মুহুর্ত ছুটে পালাতে পালাতে বলে যাবে শেষ সন্ধ্যায়, "কথা হয়ে গেছে।"
কোনো পরিযায়ী পাখি নই আমি বৃহস্পতিতে এলাম শনিতে ফুড়ুৎ । আমি তোমার বারোমাসের আহ্নিকে আছি উড়েউড়ে ঘুরেঘুরে, আদরে, অবহেলায়, তোমার বুকের বাম অলিন্দে।

না, এবার শীতেও তুমি মরবে না। শুধু চোখে এসে ঠাণ্ডা হাওয়া ঝাপ্টে পড়বে,তুমিও শতজন্মের পাপ ধুয়ে নোনাজলে শুদ্ধ হওয়া চেষ্টা করো, করিডরের  মতো রাস্তাটা ধরে হেঁটে হেঁটে যেও, যেখানে
ল্যাম্পপোস্ট আমার আত্মা হয়ে ঝুলে গেছে সরকারি দালানে দালানে। কিছু কিছু অচেনা অভিমান আমাকে মাঝেমাঝে ঘুম পাড়িয়ে দিয়ে যায়। ঘুমের ঠিক মাঝামাঝিতে ভুতের মত এসে হাজির হয় বেওয়ারিশ হয়ে যাওয়া আমার কিশোর দিনের
স্বপ্নরা। আমাকে তাদের পাগলামিতে জাগিয়ে তুলে, আমাকে আষাঢ়ের গল্প শোনায়, শরতের সাদাটে ছন্দ বোঝায়, ম্যাজিকের গোপন রহস্য দেখায়। আমায় ফিরিয়ে নিতে চায় সেইসব দিনরাত্রিতে যেথায় আমার মাঝে ছিল শরতের সাদা আকাশের স্থায়ী ঠিকানা, ছিল কাশফুলের পরিকল্পিত সাজানো সংসার। আমিও তার সাথে আনন্দ চিত্তে চলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকি।
কিন্তু খেলাঘর থেকে যখন সুমিষ্ট আহবান এসে আমার ঘরের দরজার কড়া নাড়ে, তখনি বুঝি আমার বুঝি আর যাওয়া হবে না ।

Share
Tweet
Pin
Share
No comments
সে যাওয়ার চলে গেছে।  কিন্তু কোথায় এই মেঘলা আকাশে দাগ রেখে গেছে।  তোকে বলেছে কেউ তোর চোখটা বড় গভীর, ওখানে একটা চাহিদা রাখা আছে।চিরকাল সরস্বতীই প্রিয় আমার, পছন্দ তনুজা, পছন্দ সুচিত্রা মিত্র। তবু কোজাগরী চাঁদ যখন সুখে ভেসে থাকে আমাদের পুরনো দীঘিটার বুকের উপর তখন তাকে হারিয়ে যাওয়া মেয়েটির মতো লাগে, সেও তো এমনই করে বুকের সিঁড়ি দিয়ে উঠে আসতো ছাদে। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে প্রতারিত হওয়ার জন্য যখন প্রস্তুত করি সততাকে তখন মাথার মধ্যে কে জানে কেউ বলে- ‘কি দরকার? ঘরে বসে থাকো, কবিতা লেখো। বলে, মানব সভ্যতার ইতিহাস আসলে প্রতারণার ইতিহাস’।

ছোটবেলায় অঙ্কের প্রতি জোর দেওয়া হয় কেন তা ঠিক কখনই বুঝতে পারিনি, বড় হয়ে তো কোনও অঙ্কই মেলে না, মেলে না সম্পর্কের সমীকরণগুলো। প্রতিদিন সকালে উঠে বাড়ির কাজের মেয়েটির চোখের দিকে তাকিয়ে অদ্ভুত কিছু কথোপকথন হয়, নিঃশব্দে। এতদিনে জেনে গিয়েছি, বর তার প্রায় প্রতি রাতেই মদ্যপ হয়ে বাড়ি ফেরে। বিছানায় রাজি না হলে, নরম মুখে অনেক দাগ নিয়ে সকাল সকাল আসে কাজে। রাজি হতে হয়। অভ্যাসে, অনেক অভ্যাসে।
একদিন বলেছিল সে-‘তোমার ছবিগুলো খুব সুন্দর’, আরেকদিন- ‘বিয়ে করবে কবে? ‘মাঝে মাঝে যে আমারও ঘর করতে যে ইচ্ছে করে না এমন নয়। একটি শীতের বিকেলের আলো যখন ক্লান্ত হয়ে শুয়ে পড়ে সোনা-ঝুরি গাছেদের বুকে তখন ঘরে ফিরতে ভাল লাগে।

 ইচ্ছে করে ট্রাফিকের ওই কালো মানুষটির কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করি, সংসারকেও কি আপনি একই দক্ষতায় নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন? পৃথিবী, গ্রহ, নক্ষত্র। আপনি কি যাদু জানেন? আপনি কি ভগবান? তবে সামনের পুরনো বাড়ির যে ষাটোর্ধ মহিলার স্নান আমি হঠাৎ দেখে ফিরিয়ে নিলাম চোখ, তাকে পরজন্মে আমার প্রিয়তমা করে নিয়ে আসুন। বলুন এই স্বল্প খিদের শরীর যেন কেবল একটাই শব্দ পায়-বিশ্বাস। যাকে খুঁজেছি আমি, তার সমান্তরাল চলেছি, ফলে মিলন হয়নি। মিলন আমাদের ক্যানসার পাওয়া আচার-কাকুর বয়ামের আচারের মতোই? যখন একজন মানুষ সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করেন নিজেকে অপরের কাছে, তখন তারা কি দুটো শরীর থাকেন, কখনই? তখন তাদের সম্পর্কের নাম কি হয়?

পরশু স্বপ্নে এক সোনালি চুলের অপরিচিতা বালিকা হঠাৎ এসে আমার ভেঙে ফেলা বসতবাড়ির মৃত জানলা দিয়ে ফেলে দিল ধুনুচি। তাতে ধুনো ছিল না, শুধুই কাঠকয়লা। তারপর দুজনেই নিঃশব্দ ছিলাম। একটা চিলেকোঠার ঘরে বসে থাকি, যার কেবল জানলা আছে, কোনও দরজা নেই। একটি জানলা আছে, যেখান থেকে প্রিয় মানুষদের দেখা যায়, শোনা যায় মনের কথা।
পুরনো মলাট-ছেঁড়া বই, ভাঙা ক্যাসেট, রেডিও,ধুলো-ভর্তি তোষক, এলোমেলো বিছানায় কিছু রুগ্ন কোলবালিশ নিয়ে বসে থাকি। স্বপ্ন দেখি শীতকাল এলে ওই মাঠের কোনাটায়, যেখানে খেলা হয় সেখানে আসবে কোন নতুন শিশু, তার গন্ধ পাব, তার নরম পায়ের প্রতিটি চলা লিখে ফেলব খাতায়, লিখে ফেলব, জরায়ু নয়, হৃদয়কে ভালবাসা বলে। লিখে ফেলব আমার লেপের পোশাকের ভেতর এমন এক আলতামিরা আছে, কেউ খুঁজতে আসেনি, কেউ আসেনি, প্রাচীন।

কবিদের সাথে ঘর করা যায়না কক্ষনো। শিল্পীদের সঙ্গে আরও নয়। তবু কোন এক লক্ষ্মীপুজোর দুপুরে যখন আদিম শেয়ালেরা খুঁজে ফেরে বিপন্নতার সুখ, মৃত্যু-বোধ মাথায় হাত বুলিয়ে দেয় আমার আমি সেই বাদামি চামড়ার মেয়েটির দেখা পেতে চাই যে চার পাঁচটা স্টেশন ট্রেনের জানলার কাছে বসে হঠাৎ নেমে পড়ে এক নীরব স্টেশনে।যার ঝোলায় থাকে কোন অচেনা কবির দু-ফর্মার একটা কাঁচা কবিতার বই।আমি তার প্রেমিক হতে চেয়েছিলাম।
Share
Tweet
Pin
Share
No comments
ছায়াপথ পেরিয়ে গ্রহ নক্ষত্র পেরিয়ে পৃথিবীতে এসে থমকে দাঁড়ালো আলো— একটি সবুজ পাতা ফ্রক বদলাচ্ছে।বিচ্ছিন্নতা কখনই দ্বীপের মত হতে পারে না। দ্বীপের চারপাশে জল থাকে...সেখানে নৌকো ভাসানোর স্বপ্ন থাকে। হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে, পেরিয়ে যাওয়ার বিশ্বাস থাকে...
জানিস প্রিয়তি, ধীরে ধীরে আমার নদীটার জল কালো হয়ে যাচ্ছে। তবুও তুই যখন নদীটার পাশে এসে দাঁড়াস, তোর চোখটা আগের থেকেও বেশি নীল লাগে।

জানিস প্রিয়তি, সবুজ পাতারা কাঁদলে বোঝা যায়না, বোঝা যায় যখন ঝরাপাতারা ভিজে থাকে। আমার পাতাগুলো ধীরে ধীরে ঝরে গেছে। প্রিয়তি, তুই কল্পতরু নোস, তবুও সবাই তোর কাছে চায়, সে রুটি হোক বা শরীর। তোকে আমি একটা উদ্ভিদ বলেই ভাবি। তোরও আলো চাই, জল চাই, দাঁড়িয়ে থাকার জন্য একটু মাটি চাই...
ঠিকানার সাথে আড়ি করে মেঠো পথে আমাদের হাতে ধরা দেয়নি চাঁদ। প্রিয়তি, আমাদের আজও পথভোলা পথিক হওয়া হলোনা।
মাঠের ধারে মেহগিনি গাছটা অনেকটা বড় হয়ে গেছে। চোখেই পড়েনি, ওর মাথাটা আজ আর হাত দিয়ে ছোঁয়া যায়না। গোলপোস্ট গুলো আজও একই জায়গায় রয়েছে, শুধু পোস্টের জালগুলো আজ ছেঁড়া।



আমার মনে পড়ে – আমি যখন বিশের কোঠায়,তখন গ্রীষ্মের শেষের পুরনো চাঁদ, কানের দুলে
পাথরের রূপ নিয়েছে , বাতাস এল চাঁদের থেকেআর সহসা আক্রান্ত হল বৃক্ষরাজি,এবং একটি পাতা ঘুরতে ঘুরতে ঝরার সময়ে পথ খুঁজলো। লণ্ঠনের মৃদু আলোর মধ্য দিয়ে বহুদূরের গাঢ় কৃষ্ণ নিসর্গ-জোর করে প্রবেশ করলো সিদ্ধান্তহীন শহরের ভিতর।
নিরুদ্দেশ হয়ো না… মুহূর্তেই নিরুদ্দেশ হতে পারো তাহলে শতক শতক পেরিয়ে আমাদের দেখা হবে কেমন করে? তোমার দ্বৈত কারো কি পৃথিবীতে থাকা সম্ভব কিংবা আমার সত্তার? আমি বৈকাল হ্রদের গভীরে ডুবে গিয়ে অন্য কোথাও ফোঁস করে ভেসে উঠতে চাই, মিসিসিপিতে নয় কেন,আমার দারুণ ভালোবাসার এই মহাবিশ্বে আমি নিঃসঙ্গ আগাছা হয়ে থাকতে চাই।




দুই তিন অথবা আরও বেশি দিন ধরে যারা বসে আছে পৃথিবীর তাপে তাপে,
ট্রেনে ঝাকুনির গতিময় দূরে - শেষরাতে বৃষ্টির অপেক্ষায় ; যারা জেনেছে ,
ঝড়-বৃষ্টি কিম্বা সে সব প্লাবনের গল্প -- নূহের নৌকা -- জোড়ায় জোড়ায় প্রাণীসকল -- প্লাবন প্লাবন ;
প্লাবনের শেষে ছড়িয়ে ছিটিয়ে জগতময় সিঁড়িপথে মাকড়সার জালে পতঙ্গের আজন্ম আতঙ্কে...

এমন এক মাকড়সার জালের ছবি আঁকতে আঁকতে আমার সমস্ত আষাঢ়ের দুপুর।

জানিস, এখন আমার একমাত্র সঙ্গী নৈ:শব্দ, আমার সাথে কথা বলে, কষ্ট পেলে আমাকে ভোলায়, বলে এবার তাহলে "একলা একলা পথ চলা"। আমি তো কোনদিন বন্ধুত্বের দাবী রাখিনি,
শুধু রাত্রির কাছে চেয়েছিলাম - একটা সুন্দর ঘুম আর পরিযায়ী পাখিদের কাছে একটা রঙীন স্বপ্ন; তবু কেন উচ্ছাসের নদী শুধু একটানা বয়ে যায় দু-পাড়ের ছায়াছবি স্থির-নির্বাক হয়ে যায় ?
 আর আমি, এখনও ঘড়ির কাঁটার লেজ ধরে প্রাণহীন চর হয়ে পড়ে আছি তার অপেক্ষায়। বুঝলাম হারিয়ে যাওয়া কোন কিছুই ফিরে আসে না, শরীরের নিঃশ্বাসের মতো হারিয়ে যায় চিরতরে। আজ আমার কোন কিছুর জন্য অপেক্ষা নেই, সবই সয়, উচ্ছাসে ভরা প্রানোজ্জল তোমার লেখাগুলোর জন্যেও নয় । কে জানে বিকেলের কাছে ঝলসে যাওয়া দুপুরের কান্না তোমার ছোঁয়ায় কাগুজে নৌকায় ভেসে আসবে কিনা আমার কাছে ...




শুয়ে শুয়ে তাই ভাবি - সময় মানেই এগিয়ে চলা, পাহাড় যেমন মিশে যায় নীলে দুই বাহু প্রসারিত করে,
দুর্গম খাদ বেয়ে যেমন গড়িয়ে নামে উন্মত্ত ঝর্না রূপের অঝোর ধারায় আমার সবকিছু তছনচ করে;
জানিস পাগলী, সেই ঝর্ণার বুকের মাঝে আছে একটা কষ্ট জমা পাথর, সময়ের সাথে একদিন রাশি রাশি বালিকণা হয়ে ভেঙে পড়বে তোর চোখের কোনে, তখন নাহয় ফেলে দিস ঠিকানা না রেখে ।
আজ শহরের নির্জন রাস্তায় হাঁটছে আমার সব ভুল মনের অন্তর্বাস ছুঁয়ে আছে জমে থাকা যত জল,
প্রতিটি অঙ্গে আজ শুধু অপেক্ষা -- দূরের বিলাসী, হে মহিয়সী, আমি যে তার সুদুরের পিয়াসী।
জানি সব শেষ হয়ে গেছে অথবা হয়নি শুরু কিছু, জীবনের নিরর্থকতা প্রেমহীন থেকে অর্থবহ হয় শুধু; তবু তহবিলে গচ্ছিত রাখি সব স্মৃতি, বিদগ্ধ জোনাক --কালো রাত শেষ, আবার শুরু হবে নতুন প্রেমের সকাল ।




Share
Tweet
Pin
Share
No comments
কোলাহলে কিংবা নির্জনে, নৈঃশব্দে কিংবা গর্জনে, স্বপ্নে কিংবা জাগরণে, প্রলয়ে কিংবা সৃজনে, খুঁজি ফিরি নিজেকে একান্ত আমার আমি-কে। নীল জলের টানে দিগন্তের দিকে ঝুঁকে পড়েছিস তুই। জীবন ধেয়ে বেড়ায় তোমাকে আর আমায়। অতঃপর কিছু রঙ নিয়ন্ত্রনে রাখা হয়নি গাছেদের নিজস্ব ক্যানভাসে। নরম আলোর বৃত্তে আমরা পরস্পর ছায়া এবং দৃশ্যাবলি... বৃত্তের বাইরে আছি আমরা, চালাঘর আর রংচটা চায়ের কাপ, চুমুর জায়গায় চুমুক রেখে পোড়ামাটির জীবনশৈলী লিখে রাখি সেরামিক্সের কথকথায়।
ট্রেন চলে গেছে ছেড়ে। ফিরে আসবেনা আর বৃষ্টির মরসুমে। কেউ ফিরে যায় বাস্তবে আর কেউ ওয়েটিংরুমে। চশমার ফাঁকে কবেকার জল, আজও থেকে গেছে একা। নদীতে গাছের ছায়া,
শেওলা পড়া পাঁচিল… সব ছিল একা, তোর মত একা।

ঢের ভাল ছিল আমার বিষণ্ণতা… বিষ বুকে এখন আমি স্বপ্নের মত বোকা… নীলের আভায় রক্ত মাখিয়ে রোজ ছবি আঁকি মানুষের ভীড়ে। ভাঙ্গা পাঁচিল,শকুন,অন্ধকার আর তার মাঝখানে আমি রঙহীন-একা। এর চেয়ে ঢের ভাল ছিল তোর মত বিষণ্ণতা।
আসবে যত পাতার কথাও - কে কখন চেয়েছিলো শীতের কবিতা - বলেছিলো - কথা দাও-
আজও সে কথামালা আছে তোলা অবাক খাতার 'পরে - আজ আবার হয়তো হবে খোলা।
হয়তো হবেনা - আহা - না ঝর্ণা - না বর্ষাবেলা - পদচিহ্নময় বাংলার রূপোলি খেলা - খেলা ফেলে চলে যাওয়ার নৌকো জীবনে ফেরেনা। নোঙরের দাগ পড়ে রয় ঘাটে - তবু সে অচেনা।



দেখি - ঝকঝকে সব মুখ - চকচকে স্নানঘর - অর্ধচেনা - অর্ধজানা - আশপাশের নতুন কলস্বর।
ওই মুখ, ওই ঘরদোর আমাদেরই পাড়ায় ছিলো -
আগে তা তেমন করে নজর পড়েনি - আজ হঠাত পড়লো। এইমাত্র রাস্তায় দেখা নতুন মুখকে মনে করে - হয়তো কবিতা হবে - কিংবা গল্প। পাতারা রাখবে ধরে।

রাতের অন্ধকারেও নাকি লুকিয়ে থাকে কিছু গল্প। আমি তাই চোখ মেলে অন্ধকারের উপস্থিতি মেপে অপেক্ষায় আছি। দাও, তোমার গল্পের কিছু প্রান, তা দিয়েই আমি রচনা করবো অসহায় আত্নসমপর্ণে হারিয়ে যাওয়া কোন গানের শেষ দু'লাইন।
একঝাঁক মানুষের মধ্যে খুব একা হয়েছিলাম আজ বিকেলেই। শেষ বিকালের সূর্যটা কারন। এই রকম সূর্যাস্তের কাছে গেলে মন যে কেমন করে।
একটা ছোট্ট মেয়ে বালিতে গড়াগড়ি দিচ্ছিল। আমি প্রজাপতির মত সেই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। জীবনের সুখগুলো ওর ফ্রকের ভাজে ভাজে দোল খাচ্ছিল। অস্ত যাওয়া সুর্যের আলোতে
ওকে কি দারুণ যে দেখাচ্ছিল। ডিজিটাল ক্যামেরার ক্লিক এ সেই বিকেলের সূর্যটা আমার
কাছে বন্দী হলো।
এক রাশ কলকাকলির মধ্যে দাঁড়িয়ে আমার নিজস্বতায় সূর্যকে আমার মায়ের কাছে পাঠিয়ে দিলাম।
কি আশ্চর্য এক অনুভব, এখানের অস্ত যাওয়াটা সূর্যটা ওখানে মায়ের চোখে আলো দিচ্ছে।

কেউ চলে যাবে,হয়তো কেউ- অনেক কাছে থেকেই ভুলে যাবে। তবু ধরে রাখতে ইচ্ছে করে,
তবু পাশে থাকতে ইচ্ছে করে… রাশি, রাশি গল্প বলা রাত- হয়তো একদিন ভোর হবে,
জানি আর কখনোই ফিরবে না সেই রাতের-ই টানে।
আমার এই ছোট শহরে যারা ছিল-সবাই আছে, এখনো পদ্যে খুঁজি,গদ্যে আঁকি, ভুল করে হলেও তোমাতে হারাই। একলা ঘর,কিছু পুরনো স্মৃতি এলোমেলো তোমার প্রিয় বই- একলা জ্বলা মোমবাতি,



ধুলো জমা সেই গিটারে- বিষাদী সূর বাজে।
এখনো আকাশে মেঘ জমে বৃষ্টি পড়ে, এখনো আমি ভিজি…

বৃষ্টির শহরে বিষন্ন বিকেলের রঙ পালটে দিয়েছিল সে চায়ের টেবিল। লুচি-ডালের অদ্ভূতুরে সময়ের আড্ডাবাজি আর গতিপথে উড়ে আসা সহস্র বৃষ্টিকণার 
ভেতর পূণর্বার জেগে উঠা অতীত দিনের বিচ্ছিন্ন সব সুরের আকস্মিক খোঁজ। 
আমাদের বেঁচে থাকা জলমগ্ন দুঃস্বপ্নের মত অথচ বৃষ্টি জল ফেরায় নিখোজ হয়ে যাওয়া মগ্নতার দিন। মায়ের আচলের সেই সে ওম। মাকড়শার জালের ভেতর থেকে কবিতা বুনার আশ্চর্য সব সূত্র আর 




পৃথিবীর কোথাও দুঃখরা থাকে, তা অস্বীকার করার দীপ্ত সাহস। 
অথচ তুমি আমি ভালো করেই জানি, শহরের দুঃখভার অধিক হলে বৃষ্টিরা নামে, মেঘেরা ধারণ করে গভীর যত কালো। 
Share
Tweet
Pin
Share
No comments
Older Posts

About me


About Amalie

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Praesent non leo vestibulum, condimentum elit non, venenatis eros.

Follow Us

Labels

Amazing Facts Books Humanity the guardian Travel আমার একলা থাকার সঙ্গী কথাকাব্য কবিতারা নন্দিনীকে বর্ষার কবিতাগুচ্ছ নন্দিনীকে শীতের কবিতাগুচ্ছ নস্টালজিক মন নীলপরীর গল্পেরা প্রিয় মুভি এবং রিভিউ

recent posts

FOLLOW ME @forbestime

Blog Archive

  • ▼  2017 (150)
    • ▼  December (35)
      • এ্যালিস! এ্যালিস! তুমি বিম্বিত হয়ো জোছোনাতে
      • India's Lesser Known UNESCO World Heritage Sites
      • ঘুমোতে যাওয়ার আগে
      • একটি প্রেমের গল্প
      • The Unlikely Beauty of Broken Glass
      • বৃষ্টিতে ভিজব বলে ভিজে গেল দুই চোখ
      • Celebrating the Bond Between Monkeys and Their Humans
      • 7 Alien 'Earths' May Be Swapping Life via Meteorites
      • 10 Trips to Gift Your Favorite Traveler
      • Geminid Meteor Shower Peaks Tonight—How to See It
      • 30 Facts About 2017’s Most Googled Movies
      • Meet Hangul, the Most Handsome Stag in Jammu and K...
      • Thousands of Refugee Children Are Stranded on Euro...
      • বিষাদ,– তোমাকে আমি লিওনার্দো কোহেনের গানে চিনি
      • রোজকার রোজগার
      • Dhanushkodi: Why A Road Trip To this ‘Ghost Town’ ...
      • 25 World Monuments in Danger
      • This Woman is Your Adventurer of the Year—Video Ex...
      • The Ultimate Nilgiris Road Trip: From Coimbatore t...
      • Kashmir’s Enchanted Valley
      • কার প্রতীক্ষায় আছো
      • তুমি নেই বলে
      • The Best Pictures Of 2017 Siena International Phot...
      • Amazing Autumn In The Polish Sudetes
      • Toddler Keeps Stealing Prince Harry’s Popcorn Unti...
      • রাতের কবিতা
      • 20+ Of The Best Entries From The 2016 National Geo...
      • 10+ Of The World’s Greatest Dads
      • 15 Interesting Facts about Dreams
      • 10 Most Amazing Revenge Stories From Around The World
      • 10 fascinating facts about different countries tha...
      • 10 Strange Mysteries From Around The World That Ar...
      • The 10 Of The Greatest (True) Stories Ever Written...
      • The Top 10 Greatest Love Stories Of All Time (Prep...
      • International Borders Around The World
    • ►  November (27)
    • ►  October (19)
    • ►  September (4)
    • ►  August (15)
    • ►  July (11)
    • ►  June (8)
    • ►  May (31)
  • ►  2016 (25)
    • ►  December (2)
    • ►  March (23)

Created with by BeautyTemplates