• Home
  • About
  • Contact
    • Category
    • Category
    • Category
  • Shop
  • Advertise

Banggle.Info

facebook google twitter tumblr instagram linkedin
গুগুল ড্রাইভ থেকে খুঁজে পাওয়া আমার প্রিয় সেই হারিয়ে যাওয়া লিচু গাছ

সরীসৃপ আমি অপছন্দ করি। ছোটবেলার একটা স্মৃতি এখনো আমাকে ভয়ানুভূতিতে আন্দোলিত করে ।

আমি আমাদের লিচু গাছটার নীচে একটা জলচৌকিতে শুয়ে আছি, পাশে তিনি।
একটা সাপ উপর থেকে আমাদের জলচৌকিতে প্রায় আমার গায়ে এসে পড়ে, কিছুক্ষণ পর তাঁর কোলে নিজেকে আবিষ্কার করি।
সাপটাকে পরে মারা হয়।

তিন-চার বছর বয়সের স্মৃতি কারও মনে থাকে?
কেন যেন আমার মনে আছে।
সেবার আমার ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়ার অসুখ হয়েছিল। তিন অথবা চার তখন। বাড়িতে দিদি পাড়ার ছেলে মমেয়েদের পড়াতো, তাঁর কাছে আমিও বসে যেতাম পড়তে।
অক্ষরজ্ঞান রপ্ত হয়নি তখনো।

বাচ্চার মেনিনজাইটিস - ডাক্তার বলে। তিনি চাকুরিতে লম্বা ছুটি নিয়ে আমাকে কোলে নিয়ে বসে থাকেন লিচু গাছটার নীচে।
একগাদা ইনজেকশন, সন্ধ্যাবেলায় দিতে আসতো এক ডাক্তার।

সন্ধ্যাবেলা, অন্ধকারটা যখন একটু জড়িয়ে আসে, লিচু গাছটার ওপাশে খড়ের গাদাগুলোকে আবছা অন্ধকারে ভৌতিক কোন মূর্তির মতো মনে হয়, কুকুরে কামড়ে দেয়া আম গাছটার ওপারের ধুলো ওড়ানো রাস্তাটা ধরে হাটে যাওয়া মানুষগুলো ফিরতে শুরু করে যখন - সেই সময়ে।
বাবার কোলে বসে আমি, ধমনী খুঁজে না পেয়ে ডাক্তার ব্যাটা নাকানি-চুবানি খায়।

লিচু গাছটা এখনো আছে, চাঁপা গাছটার পাশে, ওপাড়ার বামুনদের শশ্মানটার ঠিক সামনে।
সেই গাছটা দেখলে আমি এখনো ভয় পাই। সরীসৃপের স্মৃতি মনে পড়ে আমার।


শহর বললেও সে এক মফস্বল - করতোয়া নদী আর একটা ছোট ব্রীজ, চিরে ফেলেছে মফস্বল শহরটাকে - মায়ের আঙুল ধরে ছোট আমি হাঁটি,  শীতে জনকের কোলে চড়ে হিমালয় দেখার চেষ্টা করে।
দুপুরে বাড়িতে খেতে আসা গুরুগম্ভীর বাবার পাশে গুটিসুটি মেরে অপ্রিয় দুপুরি-ঘুম দিয়ে দেয় এক প্রস্থ। বাবাটা যেন কেমন, বাইরে কতো মজা, দুপুরে না ঘুমুলেই হয়না?

-----------------------

তারপরের গল্প যেরকম হয়, সেরকমই।
আমি, আমি বড় হয়ে যাই অন্য সবার মতো। জীবনের প্রয়োজনে বাড়ি ছাড়ি, মফস্বল ছাড়ি।
বছরে এক-আধবার যাই বাড়িতে।

প্রতিবছরই বাবাকে দেখি - অনুভব করি - বুড়ো হয়ে গেছেন আগের বারের থেকে আরেকটু ।
গুরুগম্ভীর বাবা, যাকে আমার বন্ধুরাও ভীষণ ভয় পেতো, আমরা ভাই-বোনেরা পড়াশুনো না করে টিভি দেখতাম বলে যিনি এক আছড়ে ভেঙে ফেলেছিলেন যন্ত্রবাক্সটা - নিজের জন্যে অনুভব করি তাঁর আকুলতা।

ফোনে মায়ের কন্ঠ শুনি - কবে আসবি?
রেগেমেগে উল্টোপাল্টা বলি - সামারে ইন্টার্ন করবো, হ্যান করবো - সময় নাই আসার ।
এপারে বৃষ্টি ঢাকি, "মা, আসতে তো চাই সবসময় - কতো শেকল" ।

মা, জানো, আমি এখনো সরীসৃপের স্বপ্ন দেখি, ঘেমে উঠে ঘর ঠান্ডা করতে সুইচ টিপি।
পঞ্চগড়ে আমরা যখন থাকতাম, তখন প্রচন্ড ভূমিকম্পে কোন এক ভোরে তুমি পাঁচ-ছয়বছরের একটা ভারী বাচ্চাকে কোলে নিয়ে বাড়ির বাইরে ছুটে গিয়েছিলে, মনে পড়ে?
আমার মনে পড়ে।
এখন যে মাঝেমধ্যেই ভূমিকম্প হয় মাঝরাতে।

বহুদিন ইচ্ছে করে, জিজ্ঞেস করি - মা,এই অক্ষম সন্তানকে নিয়ে কোন স্বপ্ন করেছিলে কি রচন?
করা হয়না, করতে পারিনা।
মায়ের সাথে দূরত্ব অনেক এখন।
কয়েক হাজার কিলোমিটার অথবা কয়েকটা দেয়াল।

দূরত্ব অথবা সে দেয়াল অতিক্রমের সাধ্য আমার নেই।

Share
Tweet
Pin
Share
No comments

Movie Review: "Source Code"

MICHELLE MONAGHAN and JAKE GYLLENHALL star in Source Code

“Source Code”
Directed by Duncan Jones
Summit Entertainment
paw_t820.pngpaw_t820.pngpaw_t820.pngpaw_t820.pnghalfpaw_t820.png

There are many draws to “Source Code,” such as a rugged-looking Jake Gyllenhaal, up-and-coming sci-fi director Duncan Jones and the promise of an intelligent action film. Regardless of the reason, this film has plenty to offer.
Gyllenhaal plays Colter Stevens, a captain and helicopter pilot in the U.S. Air Force who finds himself on a train to Chicago with no memory of how he got there.
One of Stevens’ officers explains to him that, through a complex set of machinery, Stevens is able to inhabit the body of Sean, a passenger aboard a train ““ but only for the last eight minutes of Sean’s life before a bomb goes off and destroys it. Stevens must use what precious time he is given to find out who is responsible for planting the bomb and where this bomber plans to strike again.
However, things get complicated, as Stevens slowly falls in love with Sean’s romantic interest, Christina (Michelle Monaghan).
Stevens starts to believe that he can save the passengers on the train. However, his superiors tell him that what he is witnessing each time he enters “the source code” has already occurred, and the outcome cannot be changed.
As the film opens, Stevens is frustrated as he struggles to remember how he got onto the train and figure out why others think he is someone else. Even if the audience knows what’s going on, viewers are put in Stevens’ mindset.
As he discovers the complexities and particulars of his situation, so too do the viewers.
The film throws the viewer in the midst of the plot, explaining the details and revealing clues over the course of the film. This technique is reminiscent of other recent action films such as “Inception,” and it works just as well here.



     style="display:block"
     data-ad-client="ca-pub-2221917604703020"
     data-ad-slot="3297108884"
     data-ad-format="auto">

Much of the technical particulars of the “source code” are explained away early on as “quantum mechanics and parabolic algebra.” While this might sound like the creators are avoiding giving a real explanation, it proves effective in terms of only giving the viewer, and Stevens, what they absolutely need to know.
For the most part, the film follows the rules it has set up in the world that it’s developed. In this world, the creators offer plenty of room for great moments.
In one scene, for example, Stevens knows he has only a few more minutes to live, and so he uses any means necessary, punching a man in the face, to find the bomber.
The only poorly executed part of the film is the post-climax resolution, which drags on a bit longer than necessary, feeling forced at times. While the final message that this resolution delivers has pretty large consequences for the world that the movie has crafted, it really doesn’t have much to deliver to viewers unless they’re really willing to dig deep to find a message.

What we have here, setting aside the fancy editing involving the time travel, is something that looks like hard science fiction. That's a threatened genre. Movies with plots are threatened in general; much modern "science fiction" involves blowing stuff up. The good classic sci-fi involved starting with an idea and exploring its implications.

7.5/10 IMDb92% Rotten Tomatoes


Share
Tweet
Pin
Share
No comments
১
শিয়ালদহ থেকে ট্রেনে উঠে জানলার কাছে বসে বসে মানুষের মুখের নানা রেখা দেখে,বোঝার চেষ্টা করি তাদের জীবনের গভীরতা,সরলতা অথবা অনেক অনেক জটিল তারের মধ্যে জমে থাকা একটা টুনি আলোর মতো সুখ।অনেকগুলো মুখ হটাত আচমকা চলে যাওয়ার পর নিজেদের ফেলে যাওয়াটুকু নিয়ে একটা গল্প তৈরি করে আমার মনের বারান্দায়।সেখানে দু মুহূর্ত বসি।যত চলে আসি বাড়ির দিকে ট্রেনের পাশের দিকে বয়ে চলা রাস্তায় কিছু এমন মানুষ দেখি,যাদের খুব সুখী মনে হয়।শুধু সেই মুহূর্তেই।কোনও প্রিয় ছোট বইয়ের দোকানের পরিচিত মুখ নেমে যায় নির্দিষ্ট স্টেশনে।আমি তাকে দেখি তবে নিজেকে হয়ত দেখাতে চাই না।এরকম নিজের অনেক না দেখাতে চাওয়া জমে থাকে সারাদিন।আজ,আজই ঢাকুরিয়া লেকে দেখলাম কত প্রেম,কত প্রেম।চোখ ধাঁধিয়ে যাচ্ছে সে সব প্রেমে,মনটা বলছে চারিদিকে সত্যি কি ভয়ানক প্রেম-হীনতা।উদযাপনটা আরো বেশি করে কঙ্কালটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে যায়।তাদের কারো কারো ফোনে বেজে ওঠে যে কোনও নিস্তব্ধতা-বিনাশী গান।নির্দিষ্ট স্টেশনের আগের স্টেশনে নামি।অন্য কোনও পথ ধরি বাড়ি ফেরার।একটু নিরিবিলির পথ,একটু আড়াল।ভাবি আদতে কার কাছে ফিরে আসি,সত্যি বারবার?নিজের কাছে?মায়ের কাছে?নাকি নিজের আড়ালের কাছে?কি জানি আজকাল নিজেকে সুন্দর করে আড়াল করতে পারি হয়ত।তারপর সে সমস্ত আড়াল থেকে অনেক শব্দ জন্ম নেয়,আমার পাশে হাঁটে,হাত ধরে…
ফিরতে ফিরতে দেখি পাড়ায় পাড়ায় রবীন্দ্র ঠাকুর পুজো হয়।বুঝি আমার এখনো একটা আড়াল আছে…ভাগ্যিস…

২
কাল রাতে জীবনানন্দ এসেছিলেন, মুখোমুখি বসেছিলেন অন্ধকারে। বলেছিলাম,খুব শক্ত করেই যে শিখেছি এমন নয়, তবু মনে হয় মায়ের ঐ কথা যে, কেউ ঘরে না থাকলে পাখা বন্ধ করে দে, এই কথাটুকুই শিখিয়ে দিয়েছে অনেক কিছু।সকাল বেলা উঠে মাঝে মাঝে পুরনো ইশকুলের সামনে চলে যাই। দুপুরে ছাদের কোনও একটা ছোট্ট কোনায় বসে ভাবি ঐ যে দূরের ছাদটা,বহুদিন কথা হয় না।কেমন আছো, এই রোদ্দুরে।ছাদের তো মাথার উপর আর ছাদ নেই।আজকাল খুব ইচ্ছে করে কোথাও একটা চুপ করে বসে থাকি,আকাশের দিকে তাকিয়ে।কতদিন ঘাড় উঁচু করে আর আকাশটাকেই দেখি না। মনে হয় আজ রাতে যদি আর বাড়ি না ফিরি।এই আমার দু পয়সার জীবন, টেলিফোনে পয়সা নেই ফোন করার তবু একটা খাতার দোকান দেখলে নতুন একটা খাতা কিনে ফেলি।মা বলে,আবার একটা নতুন খাতা? আমি ভাবি,এইটুকুই তো বিলাস।বিলাস,বিলাস,বিলাস।আমারও বিলাস আছে বইকি।বিলাস কি সবসময় অর্থগত হতে হবে?মানসিক?তামসিক?তারপর একটা কেউটের মতো রাত্রি আসে।আমি অনেক পুরনো মুখ খুঁজি আজকাল, অথবা একটি নতুন মুখে প্রাচীন সুখ।বাসায় ফেরে আমার মধ্যে জেগে থাকা ‘মা’।মৃত্যুর কথা ভাবি,জীবনের কথা ভাবি,তারপর ভাবি এসব শ্যাওলা মাখা শরীর নিয়ে কতদিন পাল্লা দেবো? ভাবি কতদিন সিঁড়ির ঘরে লুকিয়ে রাখবো ভালোবাসার বোধগুলোকে,বলবো বৃষ্টি,চল একবার সস্তা পালিয়ে যাই।জামাকাপড় বিশেষ লাগবে না খালি কতগুলো বই যদি সঙ্গে নিতিস…। ভালবেসে কি পাবো?অভিযোগ?শরীর?আমি তো সেসব চাই নি কোনদিনও।একটা ছাদ-মানুষ,তারা,বোধ,চোখের জলে ভিজিয়ে দেওয়া ক্ষত,বোবা আদর।কাল রাতে জীবনানন্দ এসেছিলেন,বলছিলাম-আমি একটা কাগুজে বাঘ সেজে হেঁটে চলেছি শব্দের উপর দিয়ে মহাকালের পথে, বলছিলাম-আমার ঘুমের মধ্যে মরে যেতে ভয় লাগে,একা।

Share
Tweet
Pin
Share
No comments
এই রাত আর এই অন্ধকার তুমি তার মুখোমুখি একা শান্ত একটা হাওয়া আর রেডিয়ো চালিয়ে কেউ ঘুমিয়ে পড়েছে। যে জীবন পেলে তুমি কেমন লাগছে সে জীবন? কষ্টকর? খুব একা? খুব বেশি একা? যেখানে পায়ের ছাপ পড়ে দেখি সেখানেই রক্ত ফুটে ওঠে।জানিস তো চিঠি আমার বড্ডো প্রিয় আজও। যদিও জানি সমস্ত প্রিয় জিনিস, প্রিয় মানুষ হাতের মুঠি থেকে বেড়িয়ে গেছে তাদের পছন্দ মতো। একা আমি দাঁড়িয়ে থাকি আর তাদের চলে যাওয়া দেখি। তবুও এই আধো আলো ভোরে, মনে মনে চিঠি লিখি তোকে। তোকেই ইচ্ছে করে লিখতে।
ভীষণ ইচ্ছে এই চিঠি খুঁজে পেতে হাওয়ার নদী পথ সাঁতরিয়ে শুধু যাক তোর কাছে। অন্তত এই চিঠি পাক তোর ছোঁয়া। আমার এই এলোমেলো আবদারে আলো বেশে ভালোবেসে কাছে টেনে নিস এইতো, এইটুকুই তো চাওয়া। আর আমার চোখ আঁকুক জলছবি মনে মনে।
যখন হঠাৎ ঝড়ে গুটিয়ে নিয়েছি নিজেকে, তুই এলি একরাশ রামধনু রোদ হয়ে। বর্ষায় ঝিমঝিম গুঁড়ো গুঁড়ো মেঘ চুরি করে রাখি তোর জন্য। আয়নারে তুই, একবার আয়, দেখি তোকে, ছুঁই তোকে। এক বুক সকাল যদি পাই, জড়ো করে নেবো এক মাঠ কাশ ফুল। পূর্ণিমার রাতে চাঁদ থেকে চুঁয়ে পড়ে দুধ নদী পেরিয়ে একবার আয়, আমার স্বপ্নদেখা তারা গুনি তোর চোখে। আমার হাত রেখে দেখ দেখি। এ হাত বড় জেদি, ছাড়বোনা, বুঝে নিস ছোঁয়াতে।
ছোঁয়াছুঁয়ি-কানামাছি, কুমির ডাঙ্গা বিকেল। কত দিন হয়ে গেল, খেলি না। দূর থেকে ডাক আসে ঝিরঝির জলনদী মেঘেদের, আয় তুই, আজ ভিজে যাই দুজনেই। বৃষ্টিরা বড়বেশি আপন আমার। আর কারো সাথে তার ভাগ নেই। এইটুকু, এই সব ফোঁটা ফোঁটা জল-আদর শুধু থাক তোর আর আমারই। এই স্নিগ্ধ সকাল থেকে গাঢ় নীল সন্ধ্যেতে আলো মেখে, ভালো থাক।
স্বপ্নে তো রোজই আসিস, বাস্তবে যেদিন আসবি একখানা পাতা আনিস লুকিয়ে। আমি নেবো এক মুঠো রঙ। পাতা সেই হয়ে যাবে নৌকা, বুদবুদে রঙ জমে রামধনু। রামধনু যেই হবে মেঘ, জলে ভাসিয়ে দেবো দুজনেই। তোর পাতা আমার রং নাহয় থাকুক এক সাথে, পাথ চলুক হাতে হাত রেখে। আকাশের গায়ে শুধু তোর হাসি। আলো হয়ে-ভালো থাক তুই।
রাতের তারাদের বুনে বুনে তোকে দেবো ঝিলিমিলি মাফলার, জড়িমড়ি করে রেখে দিস গলাতে। বর্ষার জোলো হাওয়া ছুঁয়ে যাক আমাকে। আয় তুই একবার স্বপ্ন দেখি দুজনেই, সুদিনের, সেদিনের। তুই শুধু আলো মেখে ভালো থাক, ভালো রাখ, ভালো ভাব,আর একটু ভালোবাস আমায়।
Share
Tweet
Pin
Share
No comments
হঠাৎ দমকা হাওয়া –  বুঝতে না বুঝতে ভিজে গেল পর্দা, ফুলদানির ফুল।  কই , তুমি তো কখনও আমাকে ভেজাতে হঠাৎ চমকে দাও না।  আমি কিন্তু অপেক্ষা করি ৷   তোর কথা ভাবলেই
বুকের মধ্যে কুলুকুলু বইতে থাকে নীল ময়ুরাক্ষী, 
নীলজলে নীল ময়ূরপঙ্খী নাও,
ভাসতে ভাসতে একলা চলে অচিনপুরে।
স্পষ্ট দেখতে পাই নদীর জলে ফুটে উঠেছে
হাজার হাজার সুগন্ধী নীলপদ্ম।
নদীর পাড়ে একা নীল তমাল গাছটাকে দেখতে পাই,
গহনে বেজে ওঠে বাঁশিতে নীল নীল বিরহের সুর
একমুঠো নীল মেঘ আদুরে বৃষ্টি ঝরায়,
শুধু তোর নামটুকু উচ্চারণ করলেই।

তোকে ভাবলেই ভিজে যাই
বর্ষায় বা অভিমানে, প্রেমে অথবা ঘামে।
একঘেঁয়ে দিনগুলো নিমেষে আকাশের মত উজ্জ্বল নীল,
না বলা কথাগুলো কবিতা লিখে ফেলে নীল কালিতে একখাতা... 

শুধু তোকে ভাবলেই প্রেম শিখে ফেলা,
যুদ্ধসাজ ছিঁড়ে ফেলে আচমকা প্রেম লিখে ফেলা।।
Share
Tweet
Pin
Share
No comments
সীমানারও একটা সীমানা থকে। তাই জীবনে বারবার সীমানা পেরিয়েও দেখা যায় আমরা নির্দিষ্ট একটা সীমানায় আটকে পড়ে আছি। হায় জীবন, তুমি কেন বারবার দেওয়াল ঘড়ির দিকে তাকাও?“আমাকে একটি কথা দাও, যা আকাশের মত সহজ মহৎ বিশাল, গভীর;
মলিন ইতিহাসের অন্তর ধুয়ে চেনা হাতের মতন,
আমি যাকে আবহমান কাল ধরে ভালোবেসে এসেছি সেই নারীর।
সেই রাত্রির নক্ষত্রালোকিত নিবিড় বাতাসের মতো।”

এই ক্ষনস্থায়ী জীবনের অনুভুতি কতই না বিচিত্র। মলিন কবিতাগুলো রঙ্গিন করে দেবো, কতজন কত কথা দিল, অথচ দিনের শেষে সবার উপর বোষ্টুমি অথবা বরুনা নয়তো নদের আলির প্রেতাত্মা ভর করলো। তুমি কি জানো কেন বৃষ্টি নামে প্রতিরাতে? তুমি বললে ভূগোল আমার বিষয় নয়। ভ্রু কুঁচকিয়ে তাকালে দূরে , আর তখনই বৃষ্টি নামলো আমার শহরে।
স্বপ্নডানায় ভর করে উড়ে চলা এ জীবন, তবুও সকলের অগোচরে কোনো এক অজানা পিছুটানে থেমে যেতে মন চায়; জানো বকুল একদিন ঠিক হেঁটে যাবো সেই রাঙ্গামাটির পথে খালিপায়ে; তোমার আঁকড়ে ধরা হাতে রাখবো হাত, তারপর সেই তেপান্তরের মাঠে সবুজ গাছের গালিচায় শুয়ে থাকা পাশাপাশি, আর আকাশের ক্যানভাসে উড়ে যাওয়া ধবল বক দেখে উল্লাসিত তোমার সেই ডাক ‘পাগল’। এমন একটা শ্বাস আর ডাকের জন্য জীবনটা বড্ড বেশি বোহেমিয়ান হয়ে গেলো।
জানিস বকুল,
গ্রীষ্মের দুপুরে ক্লান্ত পথিকের মত যখন
অনামিকার দ্বারে এসে এক গ্লাস জল চেয়েছিলাম তখন
ঝড়ের কবলে পড়া নৌকার মাঝির মত অনামিকা
মাটির গ্লাসে করে জল এনে দিয়েছিলে,
সাথে দিয়েছিলে উওপবাস ভাঙা দুটো বাতাসা।
অচেনে পথে চলতে চলতে তখন নিজের কাছেই অচেনা,
তবুও অনামিকা আমার বহুদিনের চেনা পরিচিত।
চেনে স্বর নিয়ে যখন সে জিজ্ঞেস করেছিল
‘পথিক তোমার বাড়ি কোথায়? যাচ্ছো কোথায় ?’
আমি উত্তর দিতে পারিনি;
আমি তাকে বলতে পারিনি
পথিকের বাড়ি হয় না, গন্তব্য হয়না;
উত্তরে শুধু বলেছিলাম ‘জানিনা।‘
দিগন্ত খোঁজা চোখ নিয়ে হতবাক হয়ে চেয়েছিল অনামিকা। তারপর
চোখ নামি
য়ে বলেছিল “ দু’মুঠো চিড়ে আর জিল দিলেম, পথে খেয়ে নিও।”
দু’পা এগোতে পিছু ডেকে বলেছিল “ফেরার পথে পারলে আবার এসো।”
আরপর বহুদিন হয়ে গেছে...
অনামিকা হয়তো এতোদিনে বুঝেগেছে
পথিকের কোনো বাড়ি হয়না, পিছুটান হয় না, গন্তব্য হয়না, আর
ফিরে আসা বলে কিছু হয় না।।

জানিস বকুল, এক এক দিনের রং এক এক রকম; এক এক দিনের ঘ্রান এক একরকম; এক একদিনের স্পর্শ এক একরকম; জীবন যদি হয় নানা রকম দিনের মেলা, তবে তার থেকে আমি বাদ দেব সমস্ত ছাই রঙা ফুল। শুভ্রতার দিগন্ত মাড়িয়ে একদিন তুমি এসো আমার ছোট ঘরে; আমার আছে জল, আমার আছে ছায়া আর আমার চোখে আছে প্রতীক্ষা। একদিন ভুল করেই না হয় এসে দেখে যেও কেউ একজন দিনরাতকে তুচ্ছ করে বেঁচে থাকে শুধুই অকারনে।

তবুও নিরবতার খুব কাছে গিয়ে প্রশ্ন করি, ভিতরে এত তোলপাড় কিসের তোমার? কখনও ভালোবেসেছিলে কাউকে? অথবা বিষাদ হয়ে জানালা ঘেঁসে দাঁড়িয়েছিল কেউ? তুমি যাকে আকাশ ভেবে দিগন্তরেখায় মিশিয়েছিলে সেটা আসলে পাহাড় ছিল। জানো বকুল, আমার মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় তোমায় এক পাহাড়ের গল্প বলি; এক অদ্ভুত নির্বাসিত পাহাড় আর এক একলা গাছের গল্প। আমার খুব ইচ্ছে করে ওই পাহাড়টাকে জিজ্ঞেস করি ওর এই নির্বাসন কিসের! ওর কি ইচ্ছে করে না সেই গাছটির কাছে ফিরে যেতে? আজ আবার স্বপ্নে দেখলাম সেই অদ্ভুত নিঃসঙ্গ পাহাড় ধীরে ধীরে সূর্যাস্তের শেষ রক্তিম আভাটুকু শুষে নিচ্ছে। আজও স্বপ্নের সন্ধানে বেরোবেন ঈশ্বর; মাঝরাতে তারার গুঁড়োর মত ঝরে পড়ে লাল নীল স্বপ্নেরা, একমুঠো স্বপ্ন কুড়িয়ে নিয়ে বুকপকেটে ভরে নিই; তারপর ফিরে যাই পাহাড়ের কাছে, বলি “ হে মহান পাহাড়, এবার তোমার নির্বাসন জীবনের শেষ হোক, তুমি ফিরে যাও তোমার ওই একলা গাছের কাছে, আর হ্যাঁ, কোনোদিন আর আমার স্বপ্নে এসো না।”

জানিস বকুল, আমাদের স্বপ্নগুলো কষ্টগুলো ঠিক আমাদের মতই অদ্ভুত। কত ছোটো ছোটো করনেই আমাদের মন খারাপ হয়ে যায়, আবার কিছু কষ্টগুলোকে ইচ্ছে করেই মনের এককোনে রেখেদিই খুব যত্ন করে। আমার অনেক দিনের ইচ্ছে একটা নদী কেনার, নদীর নামটাও ঠিক করে রেখেছি- ময়ুরাক্ষী; সেই নদী আমার আজো কেনা হয় নি। আজ মাথার চুলো দু’একটা রুপোলী ঝিলিক দেখলাম, বুঝতে পারছি বুড়ো হয়ে যাচ্ছি, সেই ময়ুরাক্ষী নদী আমার কোনোদিন কেনা হবে না। এমন দু’একটা ইচ্ছে পূরন না হওয়াই ভালো।

জ্বরের দুপুরে চোখে নেমে এলো এক অদ্ভুত স্বপ্ন, ভয়ার্ত ভয়ংকর!
একটা পাতলা চাদর গায়ে ল্যাপটপের পাশে বালিশ পেতে
ঘুমিয়ে ছিল আমার ভাবনা,
কিন্তু বড় অশান্ত ছটফটে লাল চোখে ভেবে চলেছিল এক গল্পের পট;
হঠাৎ সেক্ষনে অনধিকার প্রবেশ জটিলতার, আর তারপরেই
ভারী বাতাসে বয়ে চলা কিছু আপত্তিকর জলছবির ঝলক।
আমার কুঁকড়ে থাকা মন আবার চমকে ওঠে,
মায়ের গলা শুনি “কখন এলি?”
সিড়ির উপরের চিলেকোঠার ঘরে মৃত মানুষের প্রতিবিম্ব
নাড়িয়ে দেয় আমার সিক্সথ সেন্স কে।
ধড়ফড় করা ধমণী নাড়িয়ে দেয় আমার ভাবনা কে।
ঘর্মাক্ত শরীরে অসম্ভব ক্লান্তি বুজিয়ে দেয় চোখের পাতা...
স্বপ্ন তুমি এসেছিলে কি??

আমার স্বপ্নে আজও উত্তুরে বাতাস করা নেড়ে যায় পূবের জানালাগুলিতে; আমি ফিরে যাই সেই ফিরে না পাওয়া সময়ে। আমার মনে পড়ে তেপান্তরের মাঠ, অচেনা চোখের কোনে জল, কথা না রাখা কথারা জাগিয়ে রাখে রাতের পর রাত, আমার ঘুম আসে না, আমি ফিরে যাই বকুল তোর কাছে। বকুল, আমায় ফিরিয়ে দিস না, এই অচেনা অজানা শহরে আমার কোনো অলি গলি জানা নেই, আমি চেনা পথ বার বার ভুল করে ফিরে যাই তোর উঠোনে আর ভিজে যাই তোর বৃষ্টিতে।

জানিস বকুল, শেষ কবে বৃষ্টিতে ভিজেছিলাম আমার মনে নেই; অনেকদিন পর আজ আবার ভিজলাম বৃষ্টিতে। জানিস বকুল, বৃষ্টিকে নিয়ে আমার কোনো বিশেষ স্মৃতি মনে নেই, বিশেষ কোনো ঘটনা নেই যা আমাকে নাড়িয়ে দেয়, আমার মনে পড়ে যায় ছেলেবেলার বৃষ্টি; আমার কান্না পায়, কাঁদতে পারিনা, বৃষ্টি প্লিস একটু ফিরে আয়, তোর জলে ভিজে একটু কাঁদতে দে আমায়।। 

Share
Tweet
Pin
Share
No comments
সমস্ত হারিয়ে ফেলবার মধ্যে এক পাওয়া আছে, সব ফেলে আসবার মধ্যে কিছু নিয়ে আসা আছে, ঠিক বোঝানো যায় না।  এই যে সারা আকাশময় ছড়িয়ে আছে তোমার চোখের জল, আর আমরা বাড়িয়ে দিচ্ছি আমাদের হাত এক প্রাপ্তি ঘটে যাচ্ছে কোথাও …  হ্যারিকেনের মায়াবী আলোয় শুরু হয়েছিল শৈশব। বাড়িতে রেডিও এলো যখন আমার চোদ্দ বছর বয়স। গ্যাসের উনুন, সে এক ইতিহাস। এক জীবনের মধ্যে আমার কয়েকবার জন্মান্তর ঘটে গেলো। টেলিভিষন, মাইক্রোওয়েভ, কম্পিউটারের ঘেরটোপের মধ্যে বসেও কেন যেন ভ্রমবেশে চমকে উঠি, জীবনের কন্ডাক্টর কেউ কি কেবলই চেঁচিয়ে বলছে , পিছনের দিকে বড্ড এগিয়ে গেছেন স্যার।”

আমি আমার চিলেকোঠার জানালা বন্ধ করে রেখেছি সেই কবে থেকেই; কারন কান্নার শব্দ আমার পছন্দ নয়, তবু ধূসর দেওয়ালের আড়াল থেকে কান্না ছাড়া আর কোনো কিছুরই শব্দ শোনা যায়না। আমি দেখতে পাই মাঝরাতে বাড়ির পাশের পিচঢালা রাস্তাগুলো একে একে নদী হয়ে যাচ্ছে; সেই নদীর ঢেউ গুলো আছড়ে পড়ে আমার শৈশবের চিলেকোঠায়; আমি নেমে পড়ি নদীতে; দেখতে পাই আমাদের স্কুলের হেডমাস্টার অচিন্ত্যবাবু পাথরের মূর্তি থেকে নেমে এসে হেঁটে বেড়াচ্ছেন স্কুলের মাঠে।

“আমি ছেড়ে যাবো একদিন – আমার চেয়ার থেকে নিঃশব্দে উঠে, একদিন
আমি অদ্ভুত নির্বাসনে চলে যাবো; গ্রীষ্মের দুপুরে
কুকুরগুলো ঝিমোতে ঝিমোতে অতীতের কথা ভাবে; আমি জানি না
জানি না আমি, অর্থহীন বারান্দা
শুধু শুধুই জেগে উঠে আমার বুকের ভেতর; হায়, জীবন
আর কিছুই মনে পড়ে না আমার; আমার আর কিছুই মনে পড়ে না...”

আমার মনখারাপ করে অকারনে। ঘুমেরা উড়ে যায় পরিযায়ী পাখি হয়ে দূর পাড়া থেকে আরো দূর বেপাড়ায়; দেখি, একফালি ধানের অজুহাতে খুনসুটি করছে চড়ুই, অচেনা চোখের কোনে জল; আমি খুঁজে বেড়াই আমার না পাওয়া চিঠি। রানারের ঝুমঝুম ঘন্টা বাজা তো সেই কবেই থেমে গেছে; আমি আমার উত্তরের জানালা খুলে দিই, এক দমকা হাওয়া ফিসফিসিয়ে বলে এখনো সময় হয় নি, আমি অপেক্ষা করি, আমাকে পেতেই হবে সেই চিঠি। ভালোবাসা ভরাট করে তোমার শহরে সন্ধ্যে আসে, পৃথিবীর হৃদয় রোমন্থন করে আকাঙ্খার পরিবার পাড়ি দেয় তোমার শহরে; আলোয় লুটোপুটি খায় গোপন স্বপ্নেরা; পৃথিবী ছিদ্র করে বৃষ্টি নামে তোমার শহরে; আমি ভিজলে শুধু আমিই ভিজি, কিন্তু তুমি ভিজলে পুরো শহর ভিজে যায়।

“কেরোসিনের গন্ধে, আবার মনে পড়লো তোমাদের অন্ধকার উঠোন,
কোথায় ট্রেন চলে যাচ্ছে দূরে, আর এই সন্ধ্যেবেলা
আমি একা একা বসে আছি; চেয়ে দেখছি
আমার জানালা, আস্তে আস্তে খুলে যাচ্ছে দু’দিকে,
তোমাদের কাপড়কাচা শেষ হয়েছে এখন?
অনেক বছরের পর, আরও অনেক বছর কীরকম পার হয়ে গেলো,
মনে পড়ছে আজ তোমাদের সাদা বিড়াল ছানাটার কথা, মনে পড়ছে
তোমাদের হাসি, চোখের জল আর তোমাদের।”

দিগন্তে আজও কেউ ঢেউ বুনে যাচ্ছে বিষাদে, প্রবালের পাশে সেই নির্জনতা, নির্বাসনে মেঘ; উপকুলে ক্লান্ত সে নাবিক খুঁজে যায় ফেরার ঠিকানা, পথ ভুল করে ফিরে যায় সুন্দর, কোথা যায় জানা যায় না কিছুতেই। ভারি অচেনা লাগে, মনে হয় পরাজিত, মনে হয় ফতুর! মনে হয় হরতনে নিবেদিত গোলাম, সমুদ্র অচেনা লাগে...একটা ঢেউ কুল পেতে তার কতদিন লাগে?

“ হে ভুতের বাড়ি, তুমি কার জন্যে দাঁড়িয়ে রয়েছো?
কেউ আর আসবে না, কোনোদিন, আসবে না কেঊ।
হে নদী, একলা নদী, একা একা কোথায় চলেছো?
আমি আরো একা, তুমি সঙ্গে নেবে পুজোর ছুটিতে?
হে প্রিয় শহর, তুমি কেন চিঠি লিখোনা প্রত্যহ?
একা একা একা একা কেঁপে উঠি মানুষের দেশে...”

এই সব চিরচেনা দৃশ্যবলি কিছুই দেখবনা আর, ঝুলবারান্দার টবে ফুলের কোলাহল, পাশেরর বাড়ির ছাদ আর সেই ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা কিশোরী, আটপৌরে জীবনের সমস্ত বিষন্নতা ঠোঁটে করে উড়ে যায় বিষন্ন চিল; ওর কাছে জমা রাখি আমার জমা খরচ আর পাপ পূন্যের হিসেব; বুঝতে পারি খরচের খাতাটা বড্ড বেশি ভারি, জমা খরচের হিসেব মেলেনা কিছুতেই, কিন্তু এ হিসেব তো মেলবার কথা! ক্রস চেক করি জমার খাতা, দেখতে পাই পাতার এক কোনে লেগে আছে কয়েক ফোঁটা চোখের জল; জমা খরচ সব মিলে মিশে একাকার হয়ে যায়...
ধিরে ধিরে নদীগুলো আবার পিচঢালা রাস্তা হয়ে যায়, অচিন্ত্যবাবু চশমা হাতে ফিরে যান মাঠ ছেড়ে পাথরের মূর্তিতে; আমার মনে পড়ে যায় রঞ্জিনীর কথা। অচিন্ত্যবাবু সেদিনই শিখিয়েছিলেন ভরের নিত্যতা সূত্র, আমি রঞ্জিনীকে বলেছিলাম আমার আপেল খেতে একদমই ভালোলাগেনা; রঞ্জিনী রেগে গিয়ে বলেছিল সে কারনেই ও আপেল গাছ হবে।

“ সত্যি কি কেউ কষ্ট পায় কারুর জন্য? এই চাপা কান্নার পৃথিবীতে
আমি তোমার সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চাই।
ভালো করেছো, তুমি নখ আর মুখোশ থেকে সরে গেছো।
তোমার দুচোখের জল হয়তো এখন নিমন্ত্রন করছে মুক্তোকে;
তুমি বেঁচে আছো না মরে গেছো? আদৌ যদি
বেঁচে থাকো, বন্ধু আমার, তুমি কোনোদিন আর ফিরে এসোনা বাড়িতে।”

আমার জানা নেই রঞ্জিনী আপেল গাছ হতে পেরেছে কি না; ট্রাফিক সিগন্যালের লাল আলো আমায় দেখে হাত নাড়ে, আমার বিদায়ী হাত নাড়া দেখে ওরা চোখ বড় বড় করে তাকায়, বুঝতে পারি আমাকে সাথে নেওয়ার কোনো ইচ্ছে ওদের নেই; টেবিল ল্যাম্পের সরলরেখায় আমি আঁকতে বসি ময়ুরাক্ষী নদীর গতিপথ, নদি যে আমায় কোনোদিন ফেরায়নি।।
“ শেষ হল সময়, এবং আমার জীবন।
তেমন কিছু আফশোষ নেই আর।
যদিও দু’চারটে সামান্য কাজ বাকি ছিলো-
যেমন ও পাড়ার সন্ত্রস্ত ছেলেটিকে
একটু ভরসা দিয়ে আসা – ‘ ভয় কিসের?’
যেমন চিঠি লেখা নতুন বন্ধুকে
‘ভুতের বাড়িতে , বেড়াতে আসুন একিদিন।”

কবিতা-ভাস্কর চক্রবর্তী
Share
Tweet
Pin
Share
No comments
শেষ বিকেলে শীতের চাদর গায়ে বসে আছে বিষণ্ণ সূর্য  তাকে একটা ঝিলের গল্প শোনাব বলতেই  আকাশে খুশির আভা ;  আমার গল্পে একটা দুঃখী বালিহাঁসও আছে,  বালিহাঁসের গল্প শুনে সূর্যের ম্লান চোখ থেকে  অন্ধকার ঝরে পড়লো ।  প্রেম" আর "ভালোবাসার" মধ্যে একটা সুক্ষ পার্থক্য আছে।যেমন কোনো কাঠের রাস্তা যতক্ষণ "সাঁকো",সে ততক্ষণ একটা ছবি।সেটা যেই না "ব্রিজ" হল,অমনি কেমন যেন প্রয়োজন হয়ে গেল...

আমি তাই প্রেমের গল্প লিখতে পারিনা।কদিন আগে একবার চেষ্টা করেছিলাম।একটা ছেলে এলো,একটা মেয়ে এলো,কলেজ এলো,কলেজের সাথে নিয়ম মেনে ক্যান্টিন,তার সাথে নিয়ম মেনে গিটার,সিগারেট,হাত ধরা,এলো চুল,নীল আকাশ...গল্প শেষ হওয়ার পরে দেখলাম পুরো পৃষ্ঠাটা একগাদা নিয়ম হয়ে গেছে।বিরক্তি তে সবকিছু ছিঁড়ে ফেললাম।তারপর মনে হল,এটাও তো একটা অভ্যেস!

আমি মাঝে মাঝেই গল্প লেখার সময় এক একটা বিরাট স্ট্যানজা ধরে ঘচাং করে কেটে দেই।তারপর জায়গাটাকে একটা বর্ডার দিয়ে ঘিরে আলাদা করে ফেলি।আজ ভাবলাম নিয়ম ভাঙবো,তাই খাঁচার দরজাটা খুলে দিলাম।সাথে সাথে একঝাঁক শব্দ একসঙ্গে ফুড়ুৎ করে উড়ে গেল।তারপর তাদের সে কি হুটোপুটি!একটা "কেন" ধাক্কা দিল "তোমাকে"র গায়ে।সে ছিটকে এসে ধাক্কা দিল "আদর" কে-এরা আমার বাতিল অনুভুতি।এদের কোনো নিয়ম নেই কারন এরা বাতিল;বা হয়তো নিয়ম নেই বলেই বাতিল!

সে আজ থেকে দু-তিন বছর আগের কথা।একদিন এমন কয়েকটা বাতিল শব্দ,একমুঠো বৃষ্টি,তিনটে গাছের ছায়া আর একটা পোড়া দেশলাই দিয়ে আমি ঝালমুড়ি বানিয়েছিলাম।সঙ্গীতা ঝালমুড়ি খেতে খুব ভালোবাসত বলে।
সঙ্গীতা-আমার কলেজের প্রেমিকা।

এই লাইনটা লেখার পর আমি আরো এক দোকান ঝালমুড়ি লিখতে পারি।কিন্তু ভাঙ্গা প্রেম নিয়ে ঘ্যানঘ্যান করলে লোকে হয় "ফ্রাসট্রেটেড" বলবে,নয় "আঁতেল" বলবে।তাই থেমে গেলাম।ট্যাগ জিনিসটায় আমার বরাবরের ভয়!সঙ্গীতা যতদিন আমার কেউ ছিলনা,ততদিন আমার সব ছিল,যেই "প্রেমিকা" ট্যাগ লাগালাম,ক'দিন বাদেই মেয়েটা কেমন যেন ফুরিয়ে গেল...

আমিও কি ফুরাইনি বলো!কি লিখছি এসব ছাইপাশ?পোড়া দেশলাই কাঠি কেউ কোনোদিন বাক্সে ভরে রাখে বলে জানা নেই।পোড়া গল্প তবে রাখবে কেন?আর রাখেও যদি,তারা তো আমার বাক্সবন্দি অনুভুতি!গল্প হল কৈ?

সব সালা নিয়ম...সব!আমার বাথরুমে গান শুনতে শুনতে মাথা দোলানো নিয়ম,ফ্রেঞ্চকাট দাড়ি রেখে বারবার নিজেকে আয়নায় দেখা নিয়ম,প্রেম করা নিয়ম,প্রেম ভাঙা নিয়ম।এসব তো তোমরাও করেছ,করনি,বলো?তুমি-আমি তবে স্পেশাল হলাম কোথায়?

আমি হলপ করে বলতে পারি জীবনের প্রথম সিগারেট খেয়ে তুমি খুব কেশেছিলে,নীল চুড়িদারের অ্যাটেনশন পাওয়ার জন্যে হেয়ারস্টাইল পাল্টেছিলে,সাইকেল চালিয়ে স্কুল থেকে ফেরার সময় নিজেকে সুপারম্যান ভেবেছিলে,প্রথমদিন বড় হওয়ার পর কুলকুল করে ঘেমেছিলে-দেখো আমি সব জানি।কারন তুমি নিয়মে থাকতে বাধ্য।হাত-পা বাঁধা,আমার মত।


বেনিয়মে চলত আমাদের পুরোনো বাড়ির ছাদের অ্যান্টেনা।আর সেই কাকটা যে তার মাথায় বসবে।কাকটা জানত না ওর দু-ফুট উপর দিয়ে খতরনাক ইলেকট্রিক তার চলে গেছে।আর অ্যান্টেনাও জানত না যে,সে আর দু ফুট লম্বা হলে তার প্রেমিক মারা যেত।


আর একজন ছিল।বৌ।আমার পাড়ার এক ঠাকুমা।আমি ডাকতাম "বৌ" আর বৌ আমায় ডাকত "সোয়ামি"।বছর তিনেক আগে বৌয়ের একটা অ্যাকসিডেন্ট হল।বৌয়ের কথা বলার ক্ষমতা চলে গেল,সর্বাঙ্গ প্যারালাইজড হয়ে গেল।আমার বৌ নিয়মের বাইরে চলে গেল।

ক'দিন আগে বৌকে দেখতে গেছি।তখন বিকেলবেলা।বৌ খাটে শোয়া,মাথার বালিশের পাশে একগাদা সাদা ট্যাবলেট,তার পরে একটা জানলা,বৌয়ের পায়ের কাছে আমি।বোকার মত জিজ্ঞেস করলাম,

"কেমন আছো বৌ?আমি তোমার সোয়ামি গো!"

ঘোলাটে চোখ দিয়ে বৌ বেশ কিছুক্ষন ধরে আমায় চিনল।তারপর কিছুক্ষন ঠোঁট কাঁপালো।হয়তো কিছু বলার জন্য।আর তারপর...হাসতে শুরু করল।পাগলের মত হাসি!চোখ দিয়ে জল ঝরছে,হাসির চোটে গোটা খাট থরথর করে কাঁপছে,বৌয়ের হাসি আর থামেনা।

সেদিন আমি অনুভব করেছিলাম,নিয়মের বাইরে বেরোতে হলে পরিহাস করতে জানতে হয়।হাসো...শুধু হাসো।প্রেম জাহান্নমে যাক,গল্পের শেষ জাহান্নমে যাক,সাঁকো জাহান্নমে যাক...

আমরা,অপদার্থরা শুধু ওই অনুভবটুকুই করতে পারি।নিয়মের মধ্যে থেকে অনিয়ম মাপা খুব সহজ!আসল কষ্ট জানে আমার বৌ,যার কান্না পেলেও হাসতে হয়...আর জানে সেই অ্যান্টেনা,যার দু ফুট উপরে এখন একটা মরা কাক ঝুলে আছে।
Share
Tweet
Pin
Share
No comments
তুমি কি জানো কেনো বৃষ্টি নামে প্রতিরাতে?  ভূগোল আমার বিষয় নয়…  ভ্রু কুঁচকিয়ে তাকালে দূরে, আর  তখনি বৃষ্টি নামলো আমার শহরে।  আমি চলে যাচ্ছি এই শহর ছেড়ে

আমার শহরে প্রিয় বারান্দা নেই,

আকাশ নেই

হিজল ফুলের আলো নেই ।

চা পানের সবুজ মাঠ নেই

ওরকম আদুরে গিনিপিগ গুলো কবেই মরে গিয়েছে,

শীত সকালের সবুজ ঘাসের বারান্দারা

এখন ইট সুরকী পাথরের ফুলে নিজেদের সাজিয়েছে।

রুগ্ন চাঁদের ম্লান আলোয় ভেজে না শহর,

এই শহর এখন আফিমে ঝিমোয় তার সকাল দুপুর রাত্তির

আমার অলস দুপুরে মাঝে মাঝে ঈশ্বরের সাথে কথা হয় চুপি চুপি;

তিনি বিবশ চোখে দেখেন পৃথিবীর বিদেয় নেয়ার আগাম সন্ধ্যে গুলো

আমি আর থাকবোই না এই প্রানহীণ শহরের পৃথিবীতে,

ঈশ্বরের সাথে কথা হয়েছে।।
Share
Tweet
Pin
Share
No comments
একপশলা বৃষ্টি খেয়ে বেড়াতে বেরুলো ছটফটে কিশোরী নদীটি, সামনে অনন্ত কিংবা দিগন্ত থাকার কথা ছিলো, অথচ কিছুটা গিয়ে দেখি কানাগলি।।আমাকে একটি কথা দাও, যা আকাশের মত সহজ মহৎ বিশাল, গভীর;
মলিন ইতিহাসের অন্তর ধুয়ে চেনা হাতের মতন,
আমি যাকে আবহমান কাল ধরে ভালোবেসে এসেছি সেই নারীর।
সেই রাত্রির নক্ষত্রালোকিত নিবিড় বাতাসের মতো।”

এই ক্ষনস্থায়ী জীবনের অনুভুতি কতই না বিচিত্র। মলিন কবিতাগুলো রঙ্গিন করে দেবো, কতজন কত কথা দিল, অথচ দিনের শেষে সবার উপর বোষ্টুমি অথবা বরুনা নয়তো নদের আলির প্রেতাত্মা ভর করলো। তুমি কি জানো কেন বৃষ্টি নামে প্রতিরাতে? তুমি বললে ভূগোল আমার বিষয় নয়। ভ্রু কুঁচকিয়ে তাকালে দূরে , আর তখনই বৃষ্টি নামলো আমার শহরে।

স্বপ্নডানায় ভর করে উড়ে চলা এ জীবন, তবুও সকলের অগোচরে কোনো এক অজানা পিছুটানে থেমে যেতে মন চায়; জানো বকুল একদিন ঠিক হেঁটে যাবো সেই রাঙ্গামাটির পথে খালিপায়ে; তোমার আঁকড়ে ধরা হাতে রাখবো হাত, তারপর সেই তেপান্তরের মাঠে সবুজ গাছের গালিচায় শুয়ে থাকা পাশাপাশি, আর আকাশের ক্যানভাসে উড়ে যাওয়া ধবল বক দেখে উল্লাসিত তোমার সেই ডাক ‘পাগল’। এমন একটা শ্বাস আর ডাকের জন্য জীবনটা বড্ড বেশি বোহেমিয়ান হয়ে গেলো।

জানিস বকুল,
গ্রীষ্মের দুপুরে ক্লান্ত পথিকের মত যখন
অনামিকার দ্বারে এসে এক গ্লাস জল চেয়েছিলাম তখন
ঝড়ের কবলে পড়া নৌকার মাঝির মত অনামিকা
মাটির গ্লাসে করে জল এনে দিয়েছিলে,
সাথে দিয়েছিলে উওপবাস ভাঙা দুটো বাতাসা।
অচেনে পথে চলতে চলতে তখন নিজের কাছেই অচেনা,
তবুও অনামিকা আমার বহুদিনের চেনা পরিচিত।
চেনে স্বর নিয়ে যখন সে জিজ্ঞেস করেছিল
‘পথিক তোমার বাড়ি কোথায়? যাচ্ছো কোথায় ?’
আমি উত্তর দিতে পারিনি;
আমি তাকে বলতে পারিনি
পথিকের বাড়ি হয় না, গন্তব্য হয়না;
উত্তরে শুধু বলেছিলাম ‘জানিনা।‘
দিগন্ত খোঁজা চোখ নিয়ে হতবাক হয়ে চেয়েছিল অনামিকা। তারপর
চোখ নামি
য়ে বলেছিল “ দু’মুঠো চিড়ে আর জল দিলেম, পথে খেয়ে নিও।”
দু’পা এগোতে পিছু ডেকে বলেছিল “ফেরার পথে পারলে আবার এসো।”
আরপর বহুদিন হয়ে গেছে...
অনামিকা হয়তো এতোদিনে বুঝেগেছে
পথিকের কোনো বাড়ি হয়না, পিছুটান হয় না, গন্তব্য হয়না, আর
ফিরে আসা বলে কিছু হয় না।।

জানিস বকুল, এক এক দিনের রং এক এক রকম; এক এক দিনের ঘ্রান এক একরকম; এক একদিনের স্পর্শ এক একরকম; জীবন যদি হয় নানা রকম দিনের মেলা, তবে তার থেকে আমি বাদ দেব সমস্ত ছাই রঙা ফুল। শুভ্রতার দিগন্ত মাড়িয়ে একদিন তুমি এসো আমার ছোট ঘরে; আমার আছে জল, আমার আছে ছায়া আর আমার চোখে আছে প্রতীক্ষা। একদিন ভুল করেই না হয় এসে দেখে যেও কেউ একজন দিনরাতকে তুচ্ছ করে বেঁচে থাকে শুধুই অকারনে।

তবুও নিরবতার খুব কাছে গিয়ে প্রশ্ন করি, ভিতরে এত তোলপাড় কিসের তোমার? কখনও ভালোবেসেছিলে কাউকে? অথবা বিষাদ হয়ে জানালা ঘেঁসে দাঁড়িয়েছিল কেউ? তুমি যাকে আকাশ ভেবে দিগন্তরেখায় মিশিয়েছিলে সেটা আসলে পাহাড় ছিল।

জানো বকুল, আমার মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় তোমায় এক পাহাড়ের গল্প বলি; এক অদ্ভুত নির্বাসিত পাহাড় আর এক একলা গাছের গল্প। আমার খুব ইচ্ছে করে ওই পাহাড়টাকে জিজ্ঞেস করি ওর এই নির্বাসন কিসের! ওর কি ইচ্ছে করে না সেই গাছটির কাছে ফিরে যেতে? আজ আবার স্বপ্নে দেখলাম সেই অদ্ভুত নিঃসঙ্গ পাহাড় ধীরে ধীরে সূর্যাস্তের শেষ রক্তিম আভাটুকু শুষে নিচ্ছে। আজও স্বপ্নের সন্ধানে বেরোবেন ঈশ্বর; মাঝরাতে তারার গুঁড়োর মত ঝরে পড়ে লাল নীল স্বপ্নেরা, একমুঠো স্বপ্ন কুড়িয়ে নিয়ে বুকপকেটে ভরে নিই; তারপর ফিরে যাই পাহাড়ের কাছে, বলি “ হে মহান পাহাড়, এবার তোমার নির্বাসন জীবনের শেষ হোক, তুমি ফিরে যাও তোমার ওই একলা গাছের কাছে, আর হ্যাঁ, কোনোদিন আর আমার স্বপ্নে এসো না।”

জানিস বকুল, আমাদের স্বপ্নগুলো কষ্টগুলো ঠিক আমাদের মতই অদ্ভুত। কত ছোটো ছোটো করনেই আমাদের মন খারাপ হয়ে যায়, আবার কিছু কষ্টগুলোকে ইচ্ছে করেই মনের এককোনে রেখেদিই খুব যত্ন করে। আমার অনেক দিনের ইচ্ছে একটা নদী কেনার, নদীর নামটাও ঠিক করে রেখেছি- ময়ুরাক্ষী; সেই নদী আমার আজো কেনা হয় নি। আজ মাথার চুলো দু’একটা রুপোলী ঝিলিক দেখলাম, বুঝতে পারছি বুড়ো হয়ে যাচ্ছি, সেই ময়ুরাক্ষী নদী আমার কোনোদিন কেনা হবে না। এমন দু’একটা ইচ্ছে পূরন না হওয়াই ভালো।
জ্বরের দুপুরে চোখে নেমে এলো এক অদ্ভুত স্বপ্ন, ভয়ার্ত ভয়ংকর!
একটা পাতলা চাদর গায়ে ল্যাপটপের পাশে বালিশ পেতে
ঘুমিয়ে ছিল আমার ভাবনা,
কিন্তু বড় অশান্ত ছটফটে লাল চোখে ভেবে চলেছিল এক গল্পের পট;
হঠাৎ সেক্ষনে অনধিকার প্রবেশ জটিলতার, আর তারপরেই
ভারী বাতাসে বয়ে চলা কিছু আপত্তিকর জলছবির ঝলক।
আমার কুঁকড়ে থাকা মন আবার চমকে ওঠে,
মায়ের গলা শুনি “কখন এলি?”
সিড়ির উপরের চিলেকোঠার ঘরে মৃত মানুষের প্রতিবিম্ব
নাড়িয়ে দেয় আমার সিক্সথ সেন্স কে।
ধড়ফড় করা ধমণী নাড়িয়ে দেয় আমার ভাবনা কে।
ঘর্মাক্ত শরীরে অসম্ভব ক্লান্তি বুজিয়ে দেয় চোখের পাতা...
স্বপ্ন তুমি এসেছিলে কি??

হেটে গেছি অবিরাম;পৃথিবীর ভুল অরণ্যে পথ খুঁজে পাইনি তবু। দিকভ্রান্ত দ্বিধাগ্রস্ত দাঁড়িয়েছি একা বিদঘুটে অন্ধকারে, যে অন্ধকার আকাশের নক্ষত্র চুরি হয়ে গেছে...!
বুকের ভেতর অভিমানের জমাট বরফ, এত ভুল মানুষ কড়া নেড়ে গেছে সময়ের দরজায়।
প্রমত্ততা! এত বিভ্রান্তি ছড়িয়ে আছে মনুষ্য সমাজে;রূপের নেশা কেটে গেলে প্রান্তরের জলাশয়ে জল পাইনি তৃষ্ণায়!
বকুল, মানুষের চেয়ে একা কোন দৃষ্টান্ত নেই পৃথিবীতে।
Share
Tweet
Pin
Share
No comments
Newer Posts
Older Posts

About me


About Amalie

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Praesent non leo vestibulum, condimentum elit non, venenatis eros.

Follow Us

Labels

Amazing Facts Books Humanity the guardian Travel আমার একলা থাকার সঙ্গী কথাকাব্য কবিতারা নন্দিনীকে বর্ষার কবিতাগুচ্ছ নন্দিনীকে শীতের কবিতাগুচ্ছ নস্টালজিক মন নীলপরীর গল্পেরা প্রিয় মুভি এবং রিভিউ

recent posts

FOLLOW ME @forbestime

Blog Archive

  • ▼  2017 (150)
    • ▼  December (35)
      • এ্যালিস! এ্যালিস! তুমি বিম্বিত হয়ো জোছোনাতে
      • India's Lesser Known UNESCO World Heritage Sites
      • ঘুমোতে যাওয়ার আগে
      • একটি প্রেমের গল্প
      • The Unlikely Beauty of Broken Glass
      • বৃষ্টিতে ভিজব বলে ভিজে গেল দুই চোখ
      • Celebrating the Bond Between Monkeys and Their Humans
      • 7 Alien 'Earths' May Be Swapping Life via Meteorites
      • 10 Trips to Gift Your Favorite Traveler
      • Geminid Meteor Shower Peaks Tonight—How to See It
      • 30 Facts About 2017’s Most Googled Movies
      • Meet Hangul, the Most Handsome Stag in Jammu and K...
      • Thousands of Refugee Children Are Stranded on Euro...
      • বিষাদ,– তোমাকে আমি লিওনার্দো কোহেনের গানে চিনি
      • রোজকার রোজগার
      • Dhanushkodi: Why A Road Trip To this ‘Ghost Town’ ...
      • 25 World Monuments in Danger
      • This Woman is Your Adventurer of the Year—Video Ex...
      • The Ultimate Nilgiris Road Trip: From Coimbatore t...
      • Kashmir’s Enchanted Valley
      • কার প্রতীক্ষায় আছো
      • তুমি নেই বলে
      • The Best Pictures Of 2017 Siena International Phot...
      • Amazing Autumn In The Polish Sudetes
      • Toddler Keeps Stealing Prince Harry’s Popcorn Unti...
      • রাতের কবিতা
      • 20+ Of The Best Entries From The 2016 National Geo...
      • 10+ Of The World’s Greatest Dads
      • 15 Interesting Facts about Dreams
      • 10 Most Amazing Revenge Stories From Around The World
      • 10 fascinating facts about different countries tha...
      • 10 Strange Mysteries From Around The World That Ar...
      • The 10 Of The Greatest (True) Stories Ever Written...
      • The Top 10 Greatest Love Stories Of All Time (Prep...
      • International Borders Around The World
    • ►  November (27)
    • ►  October (19)
    • ►  September (4)
    • ►  August (15)
    • ►  July (11)
    • ►  June (8)
    • ►  May (31)
  • ►  2016 (25)
    • ►  December (2)
    • ►  March (23)

Created with by BeautyTemplates